পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: ক্রজিরো কোন দেশের সাবেক মুদ্রার নাম? ১৫তম বিসিএস
| (ক) কম্বোডিয়া | (খ) মংললিয়া |
| (গ) ব্রাজিল | (ঘ) রাশিয়া |
উত্তর: ব্রাজিল
ক্রুজিরো (Cruzeiro) হলো ব্রাজিলের একটি সাবেক মুদ্রার নাম, যা দেশটির পুরাতন মুদ্রা ছিল; বর্তমানে ব্রাজিলের মুদ্রা হলো রিয়েল (Real)।
দেশ: ব্রাজিল
সাবেক মুদ্রা: ক্রুজিরো (Cruzeiro)
বর্তমান মুদ্রা: রিয়েল (Real)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: The World Economic Forum কর্তৃক নিধারিত International Competitiveness Ranking এ ২০১৬ সালে কোন দেশ শর্বও স্থান অধিকার করেছে? ১৫তম বিসিএস
| (ক) জার্মানি | (খ) সুইজারল্যান্ড |
| (গ) জাপান | (ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া |
উত্তর: সুইজারল্যান্ড
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের স্থান কততম? ১৫তম বিসিএস
| (ক) অষ্টম | (খ) দ্বাদশ |
| (গ) চতুর্দশ | (ঘ) দশম |
উত্তর: অষ্টম
জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম বা অষ্টম বৃহত্তম দেশ হিসেবে পরিচিত, তবে সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ভারত ও চীন-এর পর ভারত প্রথম এবং বাংলাদেশ ৮ম অবস্থানে রয়েছে, এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর একটি।
বিশ্বে অবস্থান: সাধারণত অষ্টম (8th)।
এশিয়ায় অবস্থান: এশিয়ার মধ্যে ৫ম বা ৮ম দেশ হতে পারে (চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান-এর পর)।
ঘনবসতি: আয়তনে ছোট হলেও জনবহুল হওয়ায় এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি? ১৫তম বিসিএস
| (ক) 2 | (খ) 5 |
| (গ) 4 | (ঘ) 3 |
উত্তর: 4
বাংলাদেশে বর্তমানে ৪টি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (Earth Station) রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ও স্যাটেলাইট যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়; এর মধ্যে প্রথমটি বেতবুনিয়ায় (রাঙামাটি) স্থাপিত হয়েছিল এবং অন্যগুলো হলো তালিবাবাদ (গাজীপুর), মহাখালী (ঢাকা) এবং সিলেট।
মোট সংখ্যা: ৪টি
অবস্থানসমূহ:
বেতবুনিয়া: রাঙামাটি (প্রথম কেন্দ্র)
তালিবাবাদ: গাজীপুর
মহাখালী: ঢাকা
সিলেট: সিলেট
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: গঙ্গা-ব্রক্ষপুত্র-মেঘনার সম্মিলিত নদী অববাহিকার কত শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্ত? ১৫তম বিসিএস
| (ক) 33 | (খ) 7 |
| (গ) 14 | (ঘ) 4 |
উত্তর: 33
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার সম্মিলিত নদী অববাহিকার প্রায় ৩৩ শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা এই নদী অববাহিকার মোট আয়তনের (প্রায় ১.৭ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং যা বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অববাহিকা ও দেশ: এই বৃহৎ অববাহিকাটি মূলত চীন, ভারত, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের মতো ৫টি দেশের মধ্যে বিস্তৃত।
বাংলাদেশের অংশ: এই অববাহিকার ৩৩% অঞ্চল বাংলাদেশে অবস্থিত, যা বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থা ও কৃষি-বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য।
নদীর প্রবাহ: বাংলাদেশে গঙ্গা (পদ্মা), ব্রহ্মপুত্র (যমুনা) এবং মেঘনা নদী মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে, যা বিশাল ব-দ্বীপ অঞ্চল তৈরি করেছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: গ্রিনিচ মান সময়ই অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে? ১৫তম বিসিএস
| (ক) ৬ ঘণ্টা | (খ) ৫ ঘণ্টা |
| (গ) ৭ ঘণ্টা | (ঘ) ৮ ঘণ্টা |
উত্তর: ৬ ঘণ্টা
গ্রিনিচ মান সময় (GMT/UTC) থেকে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে থাকে, কারণ বাংলাদেশের প্রমাণ দ্রাঘিমা (৯০° পূর্ব) গ্রিনিচের ০° দ্রাঘিমা থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত এবং প্রতিটি দ্রাঘিমা ডিগ্রির জন্য ৪ মিনিট করে সময় বাড়ে, তাই ৯০° × ৪ মিনিট = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
বিশ্লেষণ:
গ্রিনিচ মান সময় (GMT): এটি মূল মধ্যরেখার (০° দ্রাঘিমা) সময়।
বাংলাদেশের অবস্থান: বাংলাদেশ ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার উপর অবস্থিত।
সময় গণনা: দ্রাঘিমা রেখা যত পূর্বে যাবে, সময় তত এগোবে। যেহেতু বাংলাদেশ গ্রিনিচের পূর্বে, তাই বাংলাদেশের সময় এগিয়ে থাকবে।
পার্থক্য: ৯০° দ্রাঘিমা × ৪ মিনিট/দ্রাঘিমা = ৩৬০ মিনিট = ৬ ঘন্টা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল? ১৫তম বিসিএস
| (ক) ৯ টি | (খ) ২৩ টি |
| (গ) ১০ টি | (ঘ) ১১ টি |
উত্তর: ১১ টি
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে, যেখানে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ডো ও সর্বাধিনায়কের বিশেষ বাহিনীর জন্য, যা সরাসরি এম. এ. জি ওসমানী এর নিয়ন্ত্রণে ছিল, আর বাকি ১০টি সেক্টর ছিল ভৌগোলিক। এই বিভাজনটি ১১ জুলাই ১৯৭১ এ অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডারদের সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
মোট সেক্টর: ১১টি (১ থেকে ১০ পর্যন্ত এবং ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ডো ও বিশেষ বাহিনীর জন্য)।
উদ্দেশ্য: সুশৃঙ্খলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা এবং প্রতিটি সেক্টরের জন্য একজন করে কমান্ডার নিয়োগ করা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত ছিল ,যা বর্তমানে বিলুপ্ত? ১৫তম বিসিএস
| (ক) APEC | (খ) ADB |
| (গ) IJ O | (ঘ) SAARC |
উত্তর: IJ O
IJO - এর সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত ছিল। বর্তমানে এ সংস্থাটি বিলুপ্ত। এর পরিবর্তে আইজেএসজি (IJSG - International Jute Study Group) নামক সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর সদর দপ্তর ঢাকায়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ওয়াল স্ট্রিট কোথায় অবস্থিত? ১৫তম বিসিএস
| (ক) লন্ডন | (খ) ওয়াশিংটন ডি সি |
| (গ) টোকিও | (ঘ) নিউইয়র্ক |
উত্তর: নিউইয়র্ক
ওয়াল স্ট্রিট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত রাস্তা। এটি মূলত ম্যানহাটনের একটি আর্থিক কেন্দ্র এবং এখানে নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE) সহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনেক বিনিয়োগ সংস্থা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
অবস্থান: এটি নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সুপরিচিত রাস্তা।
গুরুত্ব: ওয়াল স্ট্রিটকে প্রায়শই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক বাজার এবং আর্থিক পরিষেবা শিল্পের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রসিদ্ধি: নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই রাস্তায় অবস্থিত হওয়ায় এটি বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ১ সেপ্টেম্বর,১৯৭২ | (খ) ৪ মার্চ ১৯৭২ |
| (গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ | (ঘ) ১৬ মার্চ, ১৯৭২ |
উত্তর: ৪ মার্চ ১৯৭২
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১০০ টাকার নোট ৪ মার্চ ১৯৭২ সালে চালু করা হয়। একই দিনে ১ টাকার নোটও চালু হয়েছিল।
তারিখ: ৪ মার্চ ১৯৭২
মূল্যমান: ১০০ টাকা (এবং ১ টাকা)
নোটের বৈশিষ্ট্য: এই প্রথম নোটগুলোতে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র মুদ্রিত ছিল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলাদেশকে কখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ | (খ) ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ |
| (গ) ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ | (ঘ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ |
উত্তর: ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
সেক্রেটারি অব স্টেট উইলিয়াম রজার্সের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল। এছাড়া ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মুখ্য কর্মকর্তা হার্বার্ট স্পাইভ্যাক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা হস্তান্তর করেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি কখন পাস করা হয়েছিল? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ১৯৯০ সালে | (খ) ১৯৯৩ সালে |
| (গ) ১৯৯১ সালে | (ঘ) ১৯৯২ সালে |
উত্তর: ১৯৯২ সালে
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ' উপজেলা বাতিল' বিলটি পাস হয়েছিল ১৯৯২ সালে।
১৯৮২ সালের ৭ই নভেম্বর স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ ১৯৮২ বলে প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয় এবং থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীকালে উন্নীত থানা পরিষদকে উপজেলা পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়। এ সময়ে বাংলাদেশের প্রায় সমস্ত উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কেন্দ্রে রূপ দেয়া হয়।
এই অধ্যাদেশটি ১৯৯২ সালে বাতিল করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৯৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা অধ্যাদেশ ১৯৯৮ পাস করে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়। কার্যালয় আদেশের মাধ্যমে ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ থেকে এই অধ্যাদেশ কার্যকরী হয়। সর্বশেষ ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন সংশোধন হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ১৮৬৪ সালে | (খ) ১৯১৯ সালে |
| (গ) ১৯০৬ সালে | (ঘ) ১৮৪০ সালে |
উত্তর: ১৮৬৪ সালে
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৬৪ সালের ১লা আগস্ট। এর আগে নগর উন্নয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হলেও, ১৮৬৪ সালে 'ঢাকা কমিটি'-এর পরিবর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে পৌরসভা স্থাপিত হয়, যা পরে ১৯৭৮ সালে "ঢাকা পৌর কর্পোরেশন"-এ এবং ১৯৯০ সালে "ঢাকা সিটি কর্পোরেশন"-এ উন্নীত হয়।
প্রতিষ্ঠা: ১ আগস্ট, ১৮৬৪
পূর্ববর্তী: ১৮৪০ সালে গঠিত 'ঢাকা কমিটি'
পরবর্তী: ১৯৭৮ সালে কর্পোরেশনে রূপান্তর, ১৯৯০ সালে সিটি কর্পোরেশন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ইসলাম খান | (খ) শাহ সুজা |
| (গ) টিপু সুলতান | (ঘ) শায়েস্তা খান |
উত্তর: শায়েস্তা খান
লালবাগ কেল্লার নির্মাণকাজ শুরু করেন মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ (সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র) ১৬৭৮ সালে, কিন্তু তিনি এটি শেষ করতে পারেননি; পরবর্তীতে শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন এবং কেল্লাটিকে তার বর্তমান রূপ দেন, যদিও তিনিও এটি সম্পূর্ণ করেননি।
নির্মাণ প্রক্রিয়ার মূল ব্যক্তিরা:
আজম শাহ: তিনিই প্রথম এই অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ "কেল্লা আওরঙ্গবাদ" নামে নির্মাণ শুরু করেন।
শায়েস্তা খাঁ: তিনি দুর্গটির নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করেন এবং এর নাম পরিবর্তন করে রাখেন "লালবাগ কেল্লা", তবে তিনিও এটি সম্পূর্ণ করতে পারেননি।
এই কেল্লাটি মূলত মুঘল প্রদেশের গভর্নরের সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়েছিল এবং এর ভেতরে পরী বিবির সমাধি ও একটি মসজিদও রয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) কবে হতে এর কার্যক্রম শুরু করে? ১৬তম বিসিএস
| (ক) ১৯৪৭ সাল হতে | (খ) ১৯৪৫ সাল হতে |
| (গ) ১৯৪৮ সাল হতে | (ঘ) ১৯৪৬ সাল হতে |
উত্তর: ১৯৪৭ সাল হতে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হলেও, এর মূল কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১লা মার্চ থেকে, যখন প্রথম সদস্য দেশ ফ্রান্স ঋণ গ্রহণ করে।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে এর ধারণা করা হয় এবং ১৯৪৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর এটি গঠিত হয়।
কার্যক্রম শুরু: ১ মার্চ, ১৯৪৭ সাল থেকে এর আর্থিক কার্যক্রম চালু হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।