পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: Inclusive Development Index (IDI)- এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) প্রথম স্থান | (খ) দ্বিতীয় স্থান |
| (গ) তৃতীয় স্থান | (ঘ) চতুর্থ স্থান |
উত্তর: দ্বিতীয় স্থান
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর Inclusive Development Index ( IDI) হলো—ভারত (3.09), পাকিস্তান (3.55), বাংলাদেশ(3.98), নেপাল (4.15) ও শ্রীলঙ্কা ( 3.79)। Source:
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৫২ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করেছে, ৪০ তম বিসিএস
| (ক) $ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার | (খ) $ ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার |
| (গ) $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার | (ঘ) $ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার |
উত্তর: $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: Alliance যে দেশভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলোর সংগঠন- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) কানাডার | (খ) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের |
| (গ) যুক্তরাজ্যের | (ঘ) যুক্তরাষ্ট্রের |
উত্তর: যুক্তরাজ্যের
অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স সেফটি, যেটি "অ্যালায়েন্স" নামেও পরিচিত, বিশ্বের ২৮টি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি পাঁচ বছর মেয়াদী সংস্থা, যারা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শ্রম নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করবে, এটি রানা ধ্বসের প্লাজার পরে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল গঠিত হয়। সম্মিলিতভাবে, অ্যালায়েন্স সদস্যরা বিশেষত উত্তর আমেরিকার আমদানিকারক, যারা বাংলাদেশের ৭০০ + কারখানা থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে থাকে। ইউরোপীয় ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ, সংক্ষেপে যা অ্যাকর্ড ( Accord) নামে পরিচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ২০১৮ সালে বাংলাদেশের GDP- তে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশ ছিল? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ৩২.৬৬% | (খ) ২৯.৬৬% |
| (গ) ৩৩.৬৬% | (ঘ) ৩০.৬৬% |
উত্তর: ৩৩.৬৬%
২০২০-২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে দেশের শিল্প খাতে ৯ লাখ ৮১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মূল্য সংযোজন হয়েছে, যা এর আগের বছরের চেয়ে ৯১ হাজার কোটি টাকা বেশি। আর চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে শিল্প খাতে মূল্য সংযোজনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ১০ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা বেশি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা | (খ) সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা |
| (গ) সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা | (ঘ) সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা |
উত্তর: সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
২০১৮ - ২০১৯ অর্থ বছরে রপ্তানি প্রনোদনা রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ২০১৯ - ২০২০ অর্থবছরে তা ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র: অর্থ মন্ত্রণায়ল
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ১৯৭৩ সালে | (খ) ১৯৮৬ সালে |
| (গ) ১৯৯১ সালে | (ঘ) ১৯৯৬ সালে |
উত্তর: ১৯৯১ সালে
মূল্য সংযোজন কর (ইংরেজি: Value Added Tax, বা VAT), সংক্ষেপে মূসক।
বিংশ শতাব্দীতে উদ্ভাবিত একটি আধুনিক কর যা যেকোনো ব্যবসায়ের মাধ্যমে সৃষ্ট মূল্য সংযোজনের ওপর আরোপ করা হয়ে থাকে। দেশীয় পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়, বিদেশী পণ্য আমদানী ও রপ্তানী, দেশাভ্যন্তরে সেবা বা পরিষেবার উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয় ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে মূল্য রপ্তানী কর আরোপযোগ্য। এই কর উৎপাদন থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে আরোপ ও আদায় করা হলেও এর দায়ভার চূড়ান্তভাবে কেবল পণ্য বা সেবার ভোক্তাকে বহন করতে হয়। মূসক আরোপের মাধ্যমে আবগারী শুল্ক, বিক্রয় কর ইত্যাদির প্রয়োজনীয়তা দূর হয়েছে।
বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই প্রথম মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর । এই উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সংবিধানের কোন সংশোধনকে ‘First distortion of constitution’ বলে আখ্যায়িত করা হয়? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ৫ম সংশোধন | (খ) ২য় সংশোধন |
| (গ) ৪র্থ সংশোধন | (ঘ) ৩য় সংশোধন |
উত্তর: ৫ম সংশোধন
জাতীয় সংসদে পঞ্চম সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল । পঞ্চম সংশোধনী সংবিধানে কোন বিধান সংশোধন করেনি। এ সংশোধনী ১৯৭৫ - এর ১৫ আগস্টে সামরিক শাসন জারির পর থেকে ৬ এপ্রিল ১৯৭৯ পর্যন্ত সামরিক শাসনামলের সব আদেশ, ঘোষণা ও দণ্ডাদেশ বৈধ বলে অনুমোদন করে । সংবিধানের এই সংশোধনীকে First Distortion of Constitution বা সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বলে আখ্যায়িত করা হয় ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ষষ্ঠ | (খ) সপ্তম |
| (গ) চতুর্থ | (ঘ) পঞ্চম |
উত্তর: সপ্তম
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭টি তফসিল –
প্রথম তফসিল – অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
দ্বিতীয় তফসিল – রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
তৃতীয় তফসিল - শপথ ঘোষণা।
চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকাল ও অস্থায়ী বিধানমালা।
পঞ্চম তফসিল–১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্সময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল - ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিব নগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭৩ | (খ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ |
| (গ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ | (ঘ) ৭ মার্চ, ১৯৭২ |
উত্তর: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়। সংবিধানে এগারোটি ভাগ ও চারটি সিডিউলে বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘সরকারি কর্ম কমিশন’ (PSC) গঠনের উল্লেখ আছে? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ১৩৫ নং অনুচ্ছেদে | (খ) ১৩৪ নং অনুচ্ছেদে |
| (গ) ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে | (ঘ) ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে |
উত্তর: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগে রয়েছে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ। এর ২য় পরিচ্ছেদে রয়েছে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা যা সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ: “ আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।”
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিল- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ১৯৬৯ সালে | (খ) ১৯৬৮ সালে |
| (গ) ১৯৬৭ সালে | (ঘ) ১৯৬৬ সালে |
উত্তর: ১৯৬৬ সালে
ছয় দফা কর্মসূচি তথা ছয় দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে "৬ দফা দাবি" পেশ করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামি সংখ্যা ছিল কত জন? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ৩৪ জন | (খ) ৩৬ জন |
| (গ) ৩৫ জন | (ঘ) ৩২ জন |
উত্তর: ৩৫ জন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আইন ও সালিশ কেন্দ্র কি ধরনের সংস্থা? ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ধর্মীয় | (খ) অর্থনৈতিক |
| (গ) খেলাধুলা | (ঘ) মানবাধিকার |
উত্তর: মানবাধিকার
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি বেসরকারী সংস্থা যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আইনগত সহায়তাও দিয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি মানবাধিকার সংগঠন যারা বিশেষভাবে শ্রমিক ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে বিভক্ত করেছেন- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ৬ ভাগে | (খ) ৪ ভাগে |
| (গ) ৩ ভাগে | (ঘ) ৫ ভাগে |
উত্তর: ৪ ভাগে
যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।
এলমন্ড ও পাওয়েল চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন যথাঃ
1. Institutional interest groups (army and business associations).
2. Non - associational interest groups. 3. Associational interest groups.
4. Anomic interest groups (terrorist organization, criminal gang).
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশ জাতিসংঘের- ৪০ তম বিসিএস
| (ক) ১২৬তম সদস্য | (খ) ১৩৬তম সদস্য |
| (গ) ১১৬তম সদস্য | (ঘ) ১৪৬তম সদস্য |
উত্তর: ১৩৬তম সদস্য
বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য । ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে ৩ টি দেশ সদস্যপদ লাভ করে। এগুলো হচ্ছে – ‘বাংলাদেশ’, ‘গ্রানাডা’, এবং ‘গিনি বিসাউ’ । এর পূর্বে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ছিল ১৩৫ টি । ১৯৭৪ সালের সদস্যপদ লাভকারী দেশ ৩ টি নিয়ে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩৮ টিতে। তবে বর্ণক্রমনুসারে নাম আসায় বাংলাদেশ ১৩৬ তম , গ্রানাডা ১৩৭তম , গিনি বিসাউ ১৩৮তম সদস্যপদ লাভ করে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।