পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় কয়টি খাঁটি উপসর্গ আছে? ২৭তম বিসিএস
| (ক) একুশ | (খ) বাইশ |
| (গ) কুড়ি | (ঘ) উনিশ |
উত্তর: একুশ
বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আছে, যেগুলো হলো: অ-, অঘা-, অজ-, অনা-, আ-, আড়-, আন-, আব-, ইতি-, উন্-, কদ-, কু-, নি-, পাতি-, বি-, ভর-, রাম-, স-, সা-, সু- এবং হা-। এই উপসর্গগুলো মূল শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন ঘটায়, যেমন: অ + কাজ = অকাজ
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ? ২৭তম বিসিএস
| (ক) সমাপ্তি | (খ) শুভা |
| (গ) একরাত্রি | (ঘ) পোস্টমাস্টার |
উত্তর: সমাপ্তি
এই সংলাপটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ' সমাপ্তি' (Samapti) থেকে নেওয়া, যেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্র মৃন্ময়ী-কে বর্ণনা করতে এই কথাটি বলা হয়েছে, যার উচ্ছৃঙ্খল স্বভাব এবং ছেলেদের সাথে খেলাধুলো গ্রাম্য পরিবেশের পুরুষদের কাছে একপ্রকার 'বর্গির উপদ্রব'-এর মতো মনে হত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি? ২৭তম বিসিএস
| (ক) বাংলা সাহিত্যের কথা | (খ) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস |
| (গ) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা | (ঘ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য |
উত্তর: বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্তের 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ। ১৮৯৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'জগত্তারিণী' পদক লাভ করেন? ২৭তম বিসিএস
| (ক) ১৯০৩ | (খ) ১৯৩৩ |
| (গ) ১৯১৬ | (ঘ) ১৯২৩ |
উত্তর: ১৯২৩
অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় তার সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে ' জগত্তারিণী ' স্বর্ণপদক এবং ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডি লিট' উপাধি লাভ করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী? ২৭তম বিসিএস
| (ক) ভাষা ও ব্যাকরণ | (খ) মাতৃভাষা ব্যাকরণ |
| (গ) মাগধীর ব্যাকরণ | (ঘ) গৌড়ীর ব্যাকরণ |
উত্তর: গৌড়ীর ব্যাকরণ
গৌড়ীয় ব্যাকরণ বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়, প্রকাশিত ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ। এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন। গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচিত হয় তৎকালীন স্কুল - বুক সোসাইটির অভিপ্রায়ে এবং ছাত্রদের পাঠোপযোগী করে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'মেছো' শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় কী? ২৭তম বিসিএস
| (ক) মেছ+ও | (খ) মাছি + উয়া > ও |
| (গ) মাছ + উয়া > ও | (ঘ) মাছ+ও |
উত্তর: মাছ + উয়া > ও
প্রকৃতি : শব্দমূল বা শব্দের যে অংশকে আর ভাঙা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি মৌলিক শব্দ তথা প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি প্রাতিপদিক ও ধাতুই একেকটি প্রকৃতি। কিন্তু মৌলিক শব্দকে প্রকৃতি বলা যায় না। যখনই সেই শব্দের সঙ্গে বা অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তখনই কেবল নতুন সৃষ্ট শব্দটির মূল শব্দটিকে প্রকৃতি বলা যায়।
অর্থাৎ, প্রত্যয় সাধিত শব্দের মূলশব্দকে বলা হয় প্রকৃতি। কিন্তু শব্দটি থেকে প্রত্যয় সরিয়ে ফেললে, মূলশব্দটিকে তখন আর প্রকৃতি বলা যাবে না।
যেমন - লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর মূলশব্দ যথাক্রমে লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। এখানে, লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলো প্রত্যয়সাধিত (মূলশব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ) আর এই শব্দগুলোর মূলশব্দ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। অর্থাৎ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত - এগুলো লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর প্রকৃতি। কিন্তু আলাদাভাবে উল্লেখ করলে এগুলো আর প্রকৃতি নয়, এগুলো তখন স্রেফ কতোগুলো মৌলিক শব্দ।
প্রত্যয় : মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে। উপরের উদাহরণে, লাজুক শব্দের প্রকৃতি ‘লাজ’ - এর সঙ্গে প্রত্যয় ‘উক’ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে ‘লাজুক’ শব্দটি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ? ২৭তম বিসিএস
| (ক) উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ | (খ) বাক + দান = বাকদান |
| (গ) পর + পর = পরস্পর | (ঘ) সম + সার = সংসার |
উত্তর: পর + পর = পরস্পর
কোনো নিয়ম অনুসরণ না করে যখন সন্ধি সাধিত হয় তখন তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে। উপরিউক্ত সন্ধিগুলোর মধ্যে 'পর + পর = পরস্পর 'ছাড়া অন্য সন্ধিগুলো ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা হয় কোন নাট্যকারের হাতে? ২৭তম বিসিএস
| (ক) দীনবন্ধু মিত্র | (খ) মধুসূধন দত্ত |
| (গ) রামনায়ণ তর্করত্ন | (ঘ) জ্যেতিন্দ্রনাথ ঠাকুর |
উত্তর: রামনায়ণ তর্করত্ন
উনিশ শতকের গোড়ার দিকে সংস্কৃত নাটকের অনুবাদ শুরু হলেও তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' (১৮৫২) ও রামনারায়ণ তর্করত্নের 'কুলীনকুল সর্বস্ব' (১৮৫৪) নাটক থেকে প্রকৃত পক্ষে বাংলা মৌলিক নাট্যসাহিত্যের সূত্রপাত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: প্রত্যক্ষ কোন বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোন বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটি বলা হয়- ২৭তম বিসিএস
| (ক) উপমেয় | (খ) রূপক |
| (গ) উপমিত | (ঘ) উপমান |
উত্তর: উপমেয়
'উপমান' শব্দের অর্থ 'তুলনীয় বস্তু'। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে অন্য কোনো পরোক্ষ বস্তুর তুলনা করা হলে ঐ প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে 'উপমেয়' বলা হয়। পক্ষান্তরে , যার সাথে উপমা দেয়া হয় বা তুলনা করা হয় তাকে 'উপমান' বেল। যেমন - 'পদ্মআঁখি' শব্দটিতে পদ্মের সাথে আখিঁর উপমা দেয়া হয়েছে। সুতরাং 'পদ্ম' উপমান এবং আঁখি' উপমেয়। 'উপমান' ও 'উপমেয়' পদের সমাস হলে যদি উপমেয়ের অর্থ প্রধান রুপে প্রতীয়মান হয় তাকে উপমিত সমাস হলে। যেমন - পুরুষ সিংহের ন্যায় = পুরুষসিংহ এবং যে স্থলে উপমান ও উপমেয় সমাস হয়েছে এবং উভয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে তাকে রুপক সমাস বলে। যেমন - ফুল রুপ কুমারী = ফুলকুমারী।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' পঙক্তির রচয়িতা - ২৭তম বিসিএস
| (ক) মদনমোহন তর্কালংকার | (খ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার |
| (গ) বিহারীলাল | (ঘ) রামনায়ণ তর্করত্ন |
উত্তর: মদনমোহন তর্কালংকার
পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' - পঙক্তিটির রচয়িতা মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
মদনমোহন তর্কালঙ্কার (জন্ম: ১৮১৭ – মৃত্যু: ৯ই মার্চ, ১৮৫৮) ভারতীয় উপমহাদেশের ঊনবিংশ শতাব্দীয় অন্যতম পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব যিনি লেখ্য বাংলা ভাষার বিকাশে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। তিনি বাংলার নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত হিসিবেও পরিগণিত। তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাল্যশিক্ষার জন্য একাধিক পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' এর রচয়িতা কে? ২৭তম বিসিএস
| (ক) ফররুখ আহমদ | (খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ |
| (গ) আহসান হাবীব | (ঘ) সিকানদার আবু জাফর |
উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এ লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে 'সাতনরী হার' কখনও রং কখনও সুর' কমলের চোখ' সহিষ্ণু প্রতিক্ষা' 'প্রেমের কবিতা' নির্বাচিত কবিতা' ইত্যাদি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি' সহ্য করতে পারেন না -- ২৭তম বিসিএস
| (ক) আহসান হাবীব | (খ) প্রমথ চৌধুরী |
| (গ) ফররুখ আহমদ | (ঘ) বঙ্কিম চন্দ্র |
উত্তর: প্রমথ চৌধুরী
'জ্যাঠামি ' শব্দের অর্থ বাচালতা, পাকামি, অকালপক্বতা ইত্যাদি আর 'ন্যাকামি শব্দের অর্থ - সারল্য বা সাধুলতা ভানকারী , অজ্ঞতার ভবন ইত্যাদি । বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী ছিলেন মার্জিত নাগরিক রুচি, প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও অপূর্ব বাক - চাতুর্যের অধিকারী। সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তার মত হলো - 'সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা , কারও মনোরঞ্জন নয়। সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: 'এ মাটি সোনার বাড়া' -এ উদ্বৃতিতে 'সোনা' কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে? ২৭তম বিসিএস
| (ক) রূপবাচক বিশেষণ | (খ) বিশেষণের অতিশায়ন |
| (গ) বিধেয় বিশেষণ | (ঘ) উপাদান বিশেষণ |
উত্তর: বিশেষণের অতিশায়ন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: চার্যাপদ আবিস্কৃত হয় কোথা থেকে? ২৮তম বিসিএস
| (ক) আরাকান রাজগ্রন্থ থেকে | (খ) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে |
| (গ) সূদুর চীন দেশ থেকে | (ঘ) বাকুড়ার এক গৃহস্থলির গোয়াল ঘর থেকে |
উত্তর: নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার (রয়্যাল লাইব্রেরি) থেকে, মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি আবিষ্কার করেন। তিনি যখন নেপাল ভ্রমণ করছিলেন, তখন এই প্রাচীন পুঁথিটি খুঁজে বের করেন, যার মূল নাম ছিল 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityপ্রশ্ন: মঙ্গল যুগের সর্বশেষ কবির নাম কি? ২৮তম বিসিএস
| (ক) বিজয়গুপ্ত | (খ) ভারতচন্দ্ররায়গুণাকর |
| (গ) কানাহরি দত্ত | (ঘ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তি |
উত্তর: ভারতচন্দ্ররায়গুণাকর
মঙ্গল যুগের সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র), যিনি অষ্টাদশ শতাব্দীতে 'অন্নদামঙ্গল' ও 'বিদ্যাসুন্দর' কাব্য রচনা করে মঙ্গলকাব্য ধারার সমাপ্তি টানেন এবং বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের অবসানে নতুন ধারা সূচনা করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
visibilityনতুন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাবেন। একদম ফ্রি।