পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়- ২৪তম বিসিএস
| (ক) বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে | (খ) বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠোভাবে কাজ করে |
| (গ) বৈদ্যুতিক বাল্ব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য | (ঘ) অতি মাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহ জনিত দুর্ঘটনা রোধের জন্য |
উত্তর: অতি মাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহ জনিত দুর্ঘটনা রোধের জন্য
আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয় মূলত অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহ (Overcurrent), শর্ট সার্কিট এবং ওভারলোড (Overload) থেকে নিরাপত্তা দিতে, যা বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও তারকে সুরক্ষিত রাখে এবং আগুন বা বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: পরমানু (Atom) চার্জ নিরপেক্ষ হয় কারন- ২৪তম বিসিএস
| (ক) নিউট্রন ও প্রটন নিউক্লিয়াসে থাকে | (খ) প্রোটন ও নিউটনের ওজন সমান |
| (গ) নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান | (ঘ) ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান |
উত্তর: ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান
পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয় কারণ এতে ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন এবং ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে, ফলে তাদের বিপরীত চার্জ একে অপরকে সম্পূর্ণরূপে বাতিল করে দেয় এবং কোনো নিট চার্জ অবশিষ্ট থাকে না।
বিস্তারিত:
প্রোটন: নিউক্লিয়াসে থাকে এবং ধনাত্মক (+ve) চার্জ বহন করে.
ইলেকট্রন: নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘোরে এবং ঋণাত্মক (-ve) চার্জ বহন করে.
নিরপেক্ষতা: একটি স্বাভাবিক পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা = ইলেকট্রন সংখ্যা। তাই, মোট ধনাত্মক চার্জ + মোট ঋণাত্মক চার্জ = শূন্য (0), যা পরমাণুকে নিরপেক্ষ করে তোলে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মাইট্রোকন্ডিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন? ২৪তম বিসিএস
| (ক) ৭০% | (খ) ৮০% |
| (গ) ৭২% | (ঘ) ৭৩% |
উত্তর: ৭৩%
কোষের সাইটোপ্লাজমের মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থিত ধূসর বর্ণের ও শক্তি উৎপাদনের বিশেষ ধরনের অঙ্গগুলোকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলা হয়। একে কোষের পাওয়ার হাউজও বলে । এটি গঠিত হয়, DNA, RNA, প্রোটিন , ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সমন্বয়ে। এতে ৭০% প্রোটিন, ২৫ - ৩৯% লিপিড এবং সামান্য পরিমাণে RNA, DNA , ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মূল নাই কোন উদ্ভিদে? ২৪তম বিসিএস
| (ক) কোনটাই নয় | (খ) গুল্ম |
| (গ) ফনিমনসা | (ঘ) বিরুৎ |
উত্তর: কোনটাই নয়
উপরিউক্ত সকল উদ্ভিদেরই মূল রয়েছে। ফণিমনসা টেরিডোফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদ। এ জাতীয় উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড ও পাতা থেকে কিন্তু ফুল ও ফল হয় না। কোমল কান্ডযুক্ত ছোট ছোট উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে। যেমন - ধান, ছােলা, আদা ইত্যাদি। সাইকাস হচ্ছে ফ্যানেরোগ্যামিয়া (Phanerogamia) গ্রুপের উদ্ভিদ যাদের ফুল হয় ও মূল, কাণ্ড প্রভৃতি থাকে এবং যেসব উদ্ভিদ আকারে ছোট ও কাষ্ঠল কিন্তু গুড়ি নাই তাদেরকে গুল্ম বলে। যেমন - গোলাপ , জবা ইত্যাদি। পৃথিবীতে কিছু শৈবাল ও ছত্রাক রয়েছে, যাদের মূল নেই। যেমন - মিউকর, সারগামাস, ঈস্ট ইত্যাদি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: রঙ্গীন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়? ২৪তম বিসিএস
| (ক) কসমিক রশ্মি | (খ) গামা রশ্মি |
| (গ) রঞ্জন রশ্মি | (ঘ) বিটা রশ্মি |
উত্তর: রঞ্জন রশ্মি
রঙিন টেলিভিশন (বিশেষত পুরোনো CRT মডেল) থেকে মূলত রঞ্জন রশ্মি (X-rays) এবং তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ (Electromagnetic Radiation - EMR) বের হয়, যা বর্তমানে আধুনিক LED/LCD টিভির তুলনায় কম হলেও, পুরোনো সেটে উচ্চ ভোল্টেজের কারণে সামান্য X-ray উৎপন্ন হওয়ার ঝুঁকি ছিল, যদিও প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো এর মাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং বর্তমানে LCD/LED টিভি থেকে মূলত দৃশ্যমান আলো ও দুর্বল তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ নির্গত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: এসবেসটস কি? ২৪তম বিসিএস
| (ক) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ | (খ) বেশি ঘনাত্ব বিশিষ্ট তরল পদার্থ |
| (গ) এক ধরনের রাসয়নিক পদার্থ | (ঘ) কম ঘনাত্ব বিশিষ্ট তরল পদার্থ |
উত্তর: অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
এসবেস্টস (Asbestos) হলো কিছু প্রাকৃতিক খনিজ পদার্থ, যা লম্বা, সরু ও শক্তিশালী আঁশে গঠিত এবং তাপ, আগুন ও রাসায়নিক প্রতিরোধে সক্ষম; এর দারুণ বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি অতীতে নির্মাণ সামগ্রী, অন্তরক পদার্থ, ব্রেক প্যাড ইত্যাদি তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো, কিন্তু এর সূক্ষ্ম তন্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গে গুরুতর রোগ (যেমন ক্যান্সার, অ্যাসবেস্টোসিস) সৃষ্টি করে, তাই বর্তমানে এর ব্যবহার সীমিত ও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: পাহারের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কেন? ২৪তম বিসিএস
| (ক) বায়ুর চাপ কম থাকার কারনে | (খ) বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারনে |
| (গ) পাহারের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায় | (ঘ) পাহারের উপর বাতাশ কম থাকায় |
উত্তর: বায়ুর চাপ কম থাকার কারনে
পাহাড়ের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কারণ উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কমে যায়, ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে যায় এবং জল ১০০°C এর পরিবর্তে কম তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে, ফলে খাবার সেদ্ধ হতে বেশি সময় লাগে। কম তাপমাত্রায় খাবার রান্না হওয়ায় মাছ, মাংস বা সবজি নরম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয় এবং আর্দ্রতা দ্রুত বাষ্পীভূত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কত তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি? ২৫তম বিসিএস
| (ক) ০ সেন্টিগ্রেড | (খ) ১০ সেন্টিগ্রেড |
| (গ) ১০০ সেন্টিগ্রেড | (ঘ) ৪ সেন্টিগ্রেড |
উত্তর: ৪ সেন্টিগ্রেড
৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় ।
পানিকে ০ ডিগ্রি তাপমাত্রা থেকে যত তাপ দেয়া হয় তার ঘনত্ব আরো বাড়তে থাকে ।
একসময় ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় তা সর্বোচ্চ হয় তারপর অন্যান্য তরলের মতই তাপ বৃদ্ধির সাথে সাথে ঘনত্ব কমতে থাকবে আর আয়তন বাড়বে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: CNG এর অর্থ---- ২৫তম বিসিএস
| (ক) কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস | (খ) নতুন ধরনের ট্যাক্সি ক্যাব |
| (গ) সীসামুক্ত পেট্রোল | (ঘ) কার্বনমুক্ত নতুন পরিবেশ বান্ধব তেল |
উত্তর: কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
সিএনজি (CNG) মানে হলো সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (Compressed Natural Gas), যা প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে তৈরি করা হয় এবং মূলত যানবাহন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়; এটি পেট্রোল বা ডিজেলের একটি পরিবেশবান্ধব বিকল্প। এটি প্রধানত মিথেন (methane) গ্যাস,
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নারভাস সিষ্টেমের ষ্ট্রাকচারাল এবং ফাংশনাল ইউনিটকে কি বলে? ২৫তম বিসিএস
| (ক) নেফ্রোন | (খ) মাষ্ট সেল |
| (গ) নিউরোন | (ঘ) থাইমাস |
উত্তর: নিউরোন
স্নায়ুতন্ত্রের (Nervous System) গাঠনিক ও কার্যকরী একক হলো নিউরন (Neuron) বা স্নায়ুকোষ। নিউরন বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে দ্রুত সংকেত আদান-প্রদান করে এবং এর তিনটি প্রধান অংশ থাকে: ডেনড্রাইট (সংকেত গ্রহণ), কোষদেহ (সেন্টার), এবং অ্যাক্সন (সংকেত প্রেরণ)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি? ২৫তম বিসিএস
| (ক) লোহা | (খ) পানি |
| (গ) বাতাশ | (ঘ) শূনতায় |
উত্তর: লোহা
শব্দের গতি কঠিন মাধ্যমে (Solid) সবচেয়ে বেশি, কারণ কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব কাছাকাছি ও দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে, যা শব্দ তরঙ্গকে দ্রুত শক্তি স্থানান্তরে সাহায্য করে; এরপর তরল (Liquid) এবং সবশেষে গ্যাস (Gas)-এ শব্দের গতি সবচেয়ে কম, আর শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলাচল করতে পারে না
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি? ২৫তম বিসিএস
| (ক) অক্সিজেন পরিবহন করা | (খ) উল্লেখিত সবকয়টি |
| (গ) রক্তে জমাট বাধতে সাহাজ্য করা | (ঘ) রোগ প্রতিরোধ করা |
উত্তর: অক্সিজেন পরিবহন করা
- হিমোগ্লোবিন একটি অক্সিজেনবাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন যা মেরুদণ্ডী প্রাণিদের লোহিত কণিকা এবং কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণির কলায় পাওয়া যায়।
- স্তন্যপায়ী প্রাণিদের ক্ষেত্রে লোহিত কণিকার শুষ্ক ওজনের ৯৬-৯৭%ই হয় হিমোগ্লোবিনের প্রোটিন অংশ, এবং পানিসহ মোট ওজনের তা ৩৫%।
- হিমোগ্লোবিন ফুসফুস হতে অক্সিজেন দেহের বাকি অংশে নিয়ে যায় এবং কোষীয় ব্যবহারের জন্য অবমুক্ত করে।
- এটি অন্যান্য গ্যাস পরিবহনেও অবদান রাখে, যেমন এটি কোষকলা হতে CO2 পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে যায়।
- প্রতি গ্রাম হিমোগ্লোবিন ১.৩৬ হতে ১.৩৭ মিলিলিটার অক্সিজেন ধারণ করতে পারে, যা রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা ৭০গুণ বাড়িয়ে দেয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন ভিটামিন ক্ষতস্থান হতে রক্তপড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে? ২৬তম বিসিএস
| (ক) ভিটামিন কে | (খ) ভিটামিন বি |
| (গ) ভিটামিন সি | (ঘ) ভিটামিন বি২ |
উত্তর: ভিটামিন কে
রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে ভিটামিন K, কারণ এটি রক্ত জমাট বাঁধার (blood clotting) প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে; এটি মূলত সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাক, ব্রোকলি, কেল (kale) ইত্যাদিতে পাওয়া যায় এবং রক্তকে অতিরিক্ত পাতলা হওয়া থেকে রক্ষা করে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আকাশে বিজলী চমকায়- ২৬তম বিসিএস
| (ক) দুই খণ্ড মেঘ পর পর এলে | (খ) মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে |
| (গ) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে | (ঘ) মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে |
উত্তর: মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
মেঘের মধ্যে পানি ও বরফ কণাগুলোর ঘর্ষণের ফলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ তৈরি হয়। যখন চার্জের পার্থক্য বেশি হয়ে যায়, তখন বিদ্যুতের নির্গমন ঘটে, যা আমরা বিজলী চমকানো হিসেবে দেখি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারনত বিদ্যুৎপৃষ্ট হয় না, কারণ- ২৬তম বিসিএস
| (ক) বিদ্যুৎপৃষ্ট হলেও পাখি মরে না | (খ) পাখির দেহের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না |
| (গ) মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না | (ঘ) পাখিরগায়েবিদ্যুৎরোধীআবরণথাকে |
উত্তর: মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় না কারণ, পাখিটি কেবল একটি তার স্পর্শ করে এবং তার দুটি পা একই তারে থাকায় তাদের মধ্যে কোনো ভোল্টেজ পার্থক্য তৈরি হয় না; ফলে বিদ্যুৎপ্রবাহের জন্য প্রয়োজনীয় বর্তনী (circuit) পূর্ণ হয় না এবং বিদ্যুৎ পাখির শরীরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত না হয়ে তারের মধ্য দিয়েই যায়, তাই পাখিটি নিরাপদ থাকে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।