পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন? ২৯তম বিসিএস
| (ক) দৃষ্টিভ্রমে | (খ) অপাবর্তনে |
| (গ) আলোর বিচ্ছুরনে | (ঘ) বায়ুমন্ডলীয় প্রতিসরনে |
উত্তর: বায়ুমন্ডলীয় প্রতিসরনে
চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: লাল আলোতে নীল রংয়ের বস্তু তেমন দেখায়? ২৯তম বিসিএস
| (ক) কালো | (খ) কালো |
| (গ) সবুজ | (ঘ) বেগুনি |
উত্তর: কালো
কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলাে হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। বস্তুটি থেকে নীল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত। হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বৈদুতিক ভাল্বের ফিলামেন্ট কি ধাতু দিয়ে তৈরি? ২৯তম বিসিএস
| (ক) তামা | (খ) সংকর ধাতু |
| (গ) সীসা | (ঘ) টাংস্টেন |
উত্তর: টাংস্টেন
বৈদ্যুতিক বাল্বের (Electric bulb) ভিতরে ফিলামেন্ট নামক বিশেষ এক ধরনের তারের কুণ্ডলী থাকে, যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তাপ ও আলো উৎপন্ন হয়। এ ফিলামেন্টটি টাংস্টেন নামক এক প্রকার ধাতুর তৈরি। তবে কখনো কখনো শুধূ টাংস্টেনের পরিবর্তে টাংস্টেন ও ট্যানটালাম ধাতুদ্বয়ের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়। তামা দিয়ে বিদ্যুৎবাহী তার, বৈদ্যুতিক কয়েল, বিভিন্ন সংকর ধাতু ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: জারন বিক্রিয়ায় কি ঘটে? ২৯তম বিসিএস
| (ক) ইলেকট্রন আদানপ্রদান | (খ) ইলেকট্রন গ্রহন |
| (গ) ইলেকট্রন বর্জন | (ঘ) শুধু তাপ তৈরি হয় |
উত্তর: ইলেকট্রন বর্জন
•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।
•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।
জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।
বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিচের কোনটি ক্ষারকীয় পদার্থ? ২৯তম বিসিএস
| (ক) P4O10 | (খ) MgO |
| (গ) ZnO | (ঘ) CO |
উত্তর: MgO
MgO হলো একটি ক্ষারকীয় অক্সাইড
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন ধাতু পানি অপেক্ষা হালকা? ২৯তম বিসিএস
| (ক) ম্যগনেসিয়াম | (খ) পটাসিয়াম |
| (গ) সোডিয়াম | (ঘ) ক্যালসিয়াম |
উত্তর: সোডিয়াম
সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) , পটাশিয়াম (K) ও ক্যালসিয়াম (Ca) - এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 19, ও 20 এবং এদের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 23.0, 24.3, 39.1 ও 40.1 । উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্য তিনটি ধাতু অপেক্ষা হালকা এবং সোডিয়াম পানি অপেক্ষা ও হালকা।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে- ৩০তম বিসিএস
| (ক) অক্রিজেন সরবরাহ করে | (খ) নাইট্রোজেন সরবরাহ করে |
| (গ) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে | (ঘ) অক্রিজেন সরবরাহে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করে |
উত্তর: অক্রিজেন সরবরাহে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করে
রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র আগুন নেভাতে মূলত অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ করে (যেমন CO2), জ্বালানি ও অক্সিজেনের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বাধা দেয় (যেমন ABC ড্রাই কেমিক্যাল), বা আগুনকে শীতল করে কাজ করে, যা আগুন নেভানোর জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো (অক্সিজেন, জ্বালানি, তাপ) থেকে আগুনকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: গ্রীনহাউস ইফেষ্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে | (খ) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে |
| (গ) বৃষ্টিপাত কমে যাবে | (ঘ) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে |
উত্তর: নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে গেলে পাহাড়ের শীর্ষে এবং মেরু অঞ্চলে জমে থাকা বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে। ফলে, সমুদ্র উপকূলবর্তী নিম্নভূমি নিমজ্জিত হতে পারে। গ্রীন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের নিম্নভূমি নিমজ্জিত হতে পারে। বিগত ১০০ বছরে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ০.০৭ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘের আন্তরাষ্ট্রীয় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যানেল(IPCC) তৃতীয় সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমুদ্র পৃষ্ঠে পানির উচ্চতা ৪৫ সেমি বাড়লে বাংলাদেশের ১১% ভূমি সমুদ্র গর্ভে নিমজ্জিত হবে। রিপোর্টে আরও বলা হয় ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ১৮ সেমি হতে ৫৯ সেমি এ উন্নীত হবে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: সংকর ধাতু পিতলের উপাদান ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) তামা ও নিকেল | (খ) তামা ও সিসা |
| (গ) তামা ও দস্তা | (ঘ) তামা ও টিন |
উত্তর: তামা ও দস্তা
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান তামা ও দস্তা।
তামা ও টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা প্রসতুত করা হয়।
পিতল = তামা (৮০%) + দস্তা/জিংক (২০%) [Trick: পিতাজি - পিতল তামা জিংক]
ব্রোঞ্জ/কাঁসা = তামা (৯০%) + টিন (১০%)
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বৈদ্যুৎতিক পাখা ধীরে ধীরে ধুরলে বিদ্যুৎ খরচ- ৩০তম বিসিএস
| (ক) খুব কম হয় | (খ) বেশী হয় |
| (গ) কম হয় | (ঘ) একই হয় |
উত্তর: একই হয়
- রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ সৃষ্টি করে।
- যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ সবসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: রঙ্গিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রশ্মি বের হয় ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) বিটা রশ্মি | (খ) রঞ্জন রশ্মি |
| (গ) কসমিক রশ্মি | (ঘ) গামা রশ্মি |
উত্তর: গামা রশ্মি
বাজারে প্রচলিত অনেক গাইড বইয়ে এটার উত্তর 'গামা' দেওয়া আছে যা ভুল। আমরা জানি 'গামা' একটা তেজস্ক্রিয় রশ্মি যেটা উচ্চ পারমাণবিকসংখ্যা ও উচ্চ পারমাণবিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট মৌলিক পদার্থ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্গত হয়। রঙিন টেলিভিশন Cathode Ray Tube ব্যবহিত হয়, এই Cathode Ray Tube হতে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর মৃদু রঞ্জন রশ্মি তৈরি হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় তা হলো- ৩০তম বিসিএস
| (ক) এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায় | (খ) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় |
| (গ) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় | (ঘ) এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে |
উত্তর: চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয়
ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা - এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।
বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন জটিলতা
অতিরিক্ত মেদ এ রোগের অন্যতম কারণ ;
উপসর্গহীনতা বা অসচেতনতার কারণে চিকিৎসার অভাব ;
কিডনি বা বৃক্কের অক্ষমতার অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
অন্ধত্ব বা দৃষ্টিবিচ্যূতির অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
বিনা দুর্ঘটনায় অঙ্গচ্ছেদের অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: এনজিওপ্লাস্টি হচ্ছে- ৩০তম বিসিএস
| (ক) হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া | (খ) হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযোজন |
| (গ) হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযোজন | (ঘ) হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো |
উত্তর: হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
‘অ্যাঞ্জিও’ কথার অর্থ হল রক্তবাহ এবং ‘প্লাস্টি’ শব্দটির অর্থ হল খুলে দেওয়া। অ্যানজিওপ্লাস্টি হল করোনারি হার্ট ডিজিজের একটি বহুল প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি। ধমনীর ভিতরের দিকে ‘প্লাক’ জমলে এই পদ্ধতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ধমনী খুলে দেওয়া হয়। ‘প্লাক’ রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ফলে তৈরী হয়। ধমনীর এই রকম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে মেডিকেলের ভাষায় বলে ‘অ্যার্থেরোসক্লেরেসিস’।হার্ট অ্যাটাকের ফলে জমে যাওয়া প্লাকগুলো ভেঙে যায় এবং ধমনীর নানা অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। সেগুলোকে বেলুন সার্জারির সাহায্যে অপসারণ করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আ্যলুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কী বলে ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) চুন | (খ) কস্টিক সোডা |
| (গ) ফিটকিরি | (ঘ) সেভিং সোপ |
উত্তর: ফিটকিরি
অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় বলা হয় ফিটকিরি। পটাশিয়াম সালফেট, অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এবং ২৪ অণু পানির মিশ্রণে তৈরি হয় ফিটকিরি। ক্যালসিয়াম অক্সাইডের ব্যবহারিক নাম চুন। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং সোডিয়াম বাই - কার্বনেটের ব্যবহারিক নাম যথাক্রমে কস্টিকসোডা এবং বেকিং পাউডার।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) সেভিং সোপ | (খ) কিউলেক্র |
| (গ) এডিস | (ঘ) সব ধরনের মশা |
উত্তর: এডিস
ডেঙ্গু জ্বর (সমার্থক ভিন্ন বানান ডেঙ্গি) একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি। দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর (ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার) বলা হয়। এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কখনোবা ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।