পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: সুনামির (Tsumami)কারণ হলো- ৩০তম বিসিএস
| (ক) ঘূর্ণিঝড় | (খ) আগ্নেয়গিরির অগ্যুৎপাত |
| (গ) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ | (ঘ) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প |
উত্তর: সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
সুনামি বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে। কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম। তন্মধ্যে দুটি কারণ উল্লেখযোগ্য:
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন;
টেকটনিক প্লেটের আকস্মিক উত্থান - পতন
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প হলে তা সমুদ্র তলদেশের মাটিকে যেমন নাড়িয়ে দেয়, তেমনি খুব স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে সম্পর্কিত জলকে নাড়িয়ে দেয়। ভূমির কম্পন যখন জলে সঞ্চালিত হয়, তখন তার ফলে সুনামির উৎপত্তি হতে পারে। এছাড়াও সাধারণত কার্বন চক্রের প্রভাবে ভূ - অভ্যন্তরে টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনও কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে একসময় একটি আরেকটির উপরে উঠে যায়। তখন ঐ স্থানের ভূত্বক আচমকা উঁচু হয়ে যায়, এমনকি এভাবে ছোট টিলা থেকে পাহাড় সমান পর্যন্ত হঠাৎ ভূত্বক উঁচু হয়ে যেতে পারে। সমুদ্র, নদী, জলাশয় কিংবা অন্য কোনো বৃহৎ জলক্ষেত্রের নিচের ভূত্বক এভাবে ফুলে উঠলে তখন ঐ জলক্ষেত্রের পানিও হঠাৎ ফুলে উঠে সুনামির সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কত বছর পর পর হ্যালির ধূমকেতু দেখা যায় ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) ৬৫ বছর | (খ) ৭৬ বছর |
| (গ) ৭০ বছর | (ঘ) ৮০ বছর |
উত্তর: ৭৬ বছর
হ্যালির ধূমকেতু সাধারণত ৭৫ থেকে ৮৬ বছর পর পর দেখা যায়, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৭৬ বছর অন্তর এটি পৃথিবীর আকাশে আসে। এটি শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৯৮৬ সালে এবং পরবর্তী সময়ে ২০৬১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) কৃএিম সার প্রয়োগ | (খ) পানি সেচ |
| (গ) প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ | (ঘ) জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা |
উত্তর: পানি সেচ
পানি সেচ জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে।
- কৃত্রিম সার প্রয়োগ জমির লবণাক্ততা কিছুটা বৃদ্ধি করে।
- জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে প্রাকৃতিক সারের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই।
- জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখার সাথেও জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কিসের অভাবে ফসলের পরিপক্বতা বিলম্বত হয় ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) সালফার | (খ) দস্তা |
| (গ) পটাশিয়াম | (ঘ) নাইট্রোজেন |
উত্তর: সালফার
সালফারের অভাবজনিত লক্ষণ নাইট্রোজেনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ; তবে পার্থক্য হলো নাইট্রোজেনের অভাবে প্রথমে গাছের পুরাতন পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং সালফারের অভাবে গাছের নতুন গজানো পাতা হলুদ হয়। ধান গাছের উচ্চতা, কুশির সংখ্যা, শিষের আকার খাটো এবং প্রতি শিষে দানার সংখ্যা কমে যাওয়াসহ জমির ধান সাধারণত ১ - ২ সপ্তাহ পরে পাকে। বীজতলায় এর অভাব হলে চারা হলুদ হয়ে যায়।
চারা রোপণের ২ - ৪ সপ্তাহ পরে ধান গাছে দস্তার অভাব দেখা যায় এবং সে ক্ষেত্রে কচি পাতার গোড়া সাদা হয়ে যায়। পুরাতন পাতা মরচে পড়া বাদামি থেকে হলদে কমলা লেবুর মতো রঙ ধারণ করে। পাতার আকার ছোট ও সরু হয়। গাছের বৃদ্ধি সুষম হয় না। মাঠের মধ্যে স্থানে স্থানে উচ্চতার ভিন্নতা দেখে মনে হয় গাছগুলো মাঝে মাঝে বসে গেছে। গাছে রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) পরামাণু শক্তি | (খ) কয়লা |
| (গ) প্রাকৃতিক গ্যাস | (ঘ) পেট্রোল |
উত্তর: পরামাণু শক্তি
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল এনার্জি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি ( বায়োগ্যাস, বায়োম্যাস, বায়োফুয়েল), ভূ - তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র - তাপ, জোয়ার - ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ কোনটি ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) ৫ জুন | (খ) ৫ মে |
| (গ) ১৫ জুন | (ঘ) ১৫মে |
উত্তর: ৫ জুন
৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ১৯৭২ সালের জুনে স্ইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানব পরিবেশের ওপর প্রথম জাতিসংঘ সম্মেলনে পরিবেশ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনার সূরগাত ঘটে। এর প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৭তম অধিবেশনে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পারিবেশ দিবস" পালনের সিদ্ধা গৃহীত হয়। এরই সঙ্গে জন্ম নেয় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি। পৃথিবী জুড়ে আজ সেই চেতনার ফল্শ্রুতি বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ১৯৯০ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন জাতিসংঘতুক্ত দেশগুলোতে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা কম? ৩০তম বিসিএস
| (ক) কঠিন পদার্থে | (খ) শূন্যতায় |
| (গ) বায়বীয় পদার্থে | (ঘ) তরল পদার্থে |
উত্তর: বায়বীয় পদার্থে
বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম এবং শূন্যস্থানে শব্দের বেগ শূন্য। বাতসে শব্দের গতি ঘন্টায় ৭৫৭ মাইল। লোহার মধ্যদিয়ে শব্দ বাতাসের চেয়ে ১৫ গুণ দ্রুত চলে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়? ৩০তম বিসিএস
| (ক) রেনিন | (খ) পেপসিন |
| (গ) এমাইলেজ | (ঘ) ট্রিপসিন |
উত্তর: রেনিন
রেনিন নামক জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাধায়।
পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধতে রেনিন নামক জারক রস প্রয়োজন হয়। অপর পক্ষের ট্রিপসিন এবং পেপসিন নামক এনজাইম প্রোটিন পরিপাকে এবং অ্যামাইলেজ কার্বোহাইড্রেট পরিপাকে সহায়তা করে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় ? ৩০তম বিসিএস
| (ক) ফরিদপুর | (খ) নারায়ণগঞ্জ |
| (গ) চাঁদপুর | (ঘ) চট্রগ্রাম |
উত্তর: ফরিদপুর
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট (River Research Institute - RRI) ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কোনটি অর্ধ-প্রিবাহী নয়? ৩১তম বিসিএস
| (ক) সিলিকন | (খ) ক্যালসিয়াম |
| (গ) গ্যলিয়াম | (ঘ) লৌহ |
উত্তর: লৌহ
অর্ধপরিবাহী হলো সেই বস্তু যার পরিবাহকত্ব অন্তরকের চেয়ে বেশি কিন্তু পরিবাহকের তুলনায় কম। তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অর্ধপরিবাহী পদার্থের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সিলিকন, জার্মেনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী। লোহা অর্ধপরিবাহী নয়। লোহা তড়িৎ পরিবাহক।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আইসোটোপের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক ? ৩১তম বিসিএস
| (ক) প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে | (খ) নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে |
| (গ) ভর সংখ্যা সমান থাকে | (ঘ) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে |
উত্তর: প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
আইসোটোপ ➞ প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন
আইসোবার ➞ প্রোটন সংখ্যা অসমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান
আইসোটোন ➞ নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা অসমান
আইসোমার ➞ পরমাণু সংখ্যা এক কিন্তু পরমাণু বিন্যাস ভিন্ন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ভারি পানির সংকেত হচ্ছে-- ৩১তম বিসিএস
| (ক) D₂O | (খ) 2H₂O₂ |
| (গ) HD₂O₂ | (ঘ) H₂O |
উত্তর: D₂O
ভারী পানি হচ্ছে পানির একটি রুপ যেখানে পারমাণবিক ভর ১ সংবলিত হাইড্রোজেনের আইসোটোপ, ডিউটোরিয়াম দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। ভারী পানির আণবিক সংকেত D2O
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: জারন বিক্রিয়ায় ঘটে-- ৩১তম বিসিএস
| (ক) ইলেক্ট্রন গ্রহণ | (খ) ইলেকট্রন বর্জন |
| (গ) তড়িৎ ধনাত্নক মৌলের বা মূলকের অপসারণ | (ঘ) ইলেকট্রন আদান প্রদান |
উত্তর: ইলেকট্রন বর্জন
যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু, মূলক বা আয়ন ইলেক্ট্রন বর্জন করে, ফলে সংশ্লিষ্ট পরমাণু, মূলক বা আয়নের ধনাত্মক চার্জ বৃদ্ধি পায় তাকে জারণ বিক্রিয়া বলে। অন্যদিকে বিজারণ বিক্রিয়ায় পরমাণু, মূলক বা আয়ন ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বিদ্যুতের উচ্চতম ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায় - ৩১তম বিসিএস
| (ক) স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে | (খ) ট্রান্সমিটারের সাহায্যে |
| (গ) স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে | (ঘ) এডাপ টরের সাহায্যে |
উত্তর: স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে
স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার অল্প বিভরের (ভোল্ট) অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের (ভোল্ট) অল্প তড়িৎ প্রবাহে রুপান্তরিত করে। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের (ভোল্ট) অল্প তড়িৎ প্রবাহকে অল্প বিভবের (ভোল্ট) অধিক তড়িৎ প্রবাহে রুপান্তরিত করে। অর্থাৎ স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কাজ ও বলের একক যথাক্রমে- ৩১তম বিসিএস
| (ক) প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম | (খ) জুল ও ডাইন |
| (গ) ওয়াট ও পাউন্ড | (ঘ) নিউটন ও মিটার |
উত্তর: জুল ও ডাইন
SI পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন, দৈর্ঘ্যের একক মিটার, কাজের একক জুল, ক্ষমতার একক ওয়াট, চাপের একক প্যাসকেল, ভরের একক কিলোগ্রাম। C.G.S পদ্ধতিতে বলের একক ডাইন এবং F.P.S পদ্ধতিতে ভরের একক পাউন্ড।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।