পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


বাংলা ভাষা পদ প্রকরণ ক্রিয়াপদ কাল, পুরুষ এবং কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ সমাপিকা, অসমাপিকা ও যৌগিক ক্রিয়ার প্রয়োগ বাংলা অনুজ্ঞা ক্রিয়া বিভক্তি :সাধু ও চলিত কারক ও বিভক্তি এবং সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদসন্ধি বাক্য প্রকরণ শব্দের যোগ্যতার বিকাশ ও বাগধারা বাচ্য ও বাচ্য পরিবর্তন উক্তি পরিবর্তন
  • প্রশ্ন: যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়- ১৭তম বিসিএস

    (ক) মাত্রাবৃত্ত (খ) স্বরবৃত্ত
    (গ) পয়ার (ঘ) অক্ষরবৃত্ত
    close

    উত্তর: স্বরবৃত্ত

    • touch_app আরো ...

      যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলা হয়, যেখানে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর উভয়কেই ১ মাত্রা ধরা হয় এবং উচ্চারণ দ্রুত লয়ের হয়।
      মূল বিষয়:
      ছন্দ: স্বরবৃত্ত.
      পর্ব: মূল পর্ব বা পূর্ণপর্ব ৪ মাত্রার হয়.
      মাত্রা: অক্ষর বা সিলেবল (দল) অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয়, মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর উভয়েরই ১ মাত্রা.
      লয়: দ্রুত লয়ের ছন্দ.


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'শাহানামা' এর লেখক কে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) কবি নিজামী (খ) মওলানা রুমী
    (গ) কবি জামি (ঘ) কবি ফেরদৌসী
    close

    উত্তর: কবি ফেরদৌসী

    • touch_app আরো ...

      শাহনামা গ্রন্থের রচয়িতা হলেন পারস্যের বিখ্যাত কবি মহাকবি ফেরদৌসী (আবু আল-কাসিম ফেরদৌসী)। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন, যা প্রায় ৬০,০০০ শ্লোক নিয়ে গঠিত এবং ইরানি ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক বিশাল আখ্যান তুলে ধরেছে।
      রচয়িতা: মহাকবি ফেরদৌসী (Hakim Abul-Qasim Ferdowsi Tusi)।
      সময়কাল: তিনি ৯৭৭ থেকে ১০১০ সালের মধ্যে এটি রচনা করেন।
      মূল বিষয়: শাহনামা পারস্যের (বর্তমান ইরান) প্রাক-ইসলামী যুগ থেকে শুরু করে সপ্তম শতাব্দী পর্যন্ত রাজাদের ইতিহাস ও বীরত্বগাথা নিয়ে রচিত


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা কয়টি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ১১টি (খ) ৯টি
    (গ) ১০টি (ঘ) ৮টি
    close

    উত্তর: ১০টি

    • touch_app আরো ...

      বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা ১০টি, যার মধ্যে ৪টি স্বরবর্ণ (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ) রয়েছে।
      মাত্রাহীন বর্ণসমূহ:
      স্বরবর্ণ: এ, ঐ, ও, ঔ (৪টি)
      ব্যঞ্জনবর্ণ: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ (৬টি)


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'-এটি কোন ধরনের বাক্য? ১৮তম বিসিএস

    (ক) যৌগিক বাক্য (খ) সরল বাক্য
    (গ) সাধারণ বাক্য (ঘ) মিশ্র বাক্য
    close

    উত্তর: যৌগিক বাক্য

    • touch_app আরো ...

      'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'- এটি একটি যৌগিক বাক্য, কারণ এখানে দুটি সরল বাক্য ('তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি') 'কিন্তু' (একটি সংযোজক অব্যয়) দ্বারা যুক্ত হয়েছে, যা একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একসাথে প্রকাশ করে।
      যৌগিক বাক্য: যখন একাধিক স্বাধীন বাক্য (সরল বাক্য) কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: ও, এবং, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'একাদশে বৃহস্পতি'-এর অর্থ কী? ১৮তম বিসিএস

    (ক) মজা পাওয়া (খ) আনন্দের বিষয়
    (গ) সৌভাগ্যের বিষয় (ঘ) আশার কথা
    close

    উত্তর: সৌভাগ্যের বিষয়

    • touch_app আরো ...

      'একাদশে বৃহস্পতি' একটি বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো সৌভাগ্যের বিষয় বা কোনো শুভ ও সৌভাগ্যপূর্ণ ঘটনা যখন ঘটে, তখন এটি ব্যবহার করা হয়, যা হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র থেকে এসেছে যেখানে একাদশী তিথি ও বৃহস্পতিবার দুটোই শুভ বলে মনে করা হয়। এটি এমন একটি অবস্থা বোঝায় যখন ভাগ্য সহায় থাকে এবং সবকিছু অনুকূল হয়, যেমন হঠাৎ অনেক ধনসম্পদ লাভ করা।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ কোনটি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) সঙ্গী (খ) বেয়াই
    (গ) সাহেব (ঘ) কবিরাজ
    close

    উত্তর: কবিরাজ

    • touch_app আরো ...

      লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ বলতে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বোঝানো হয়, যেগুলোর কোনো স্ত্রীলিঙ্গ রূপ নেই, যেমন: কবিরাজ, < ঢাকী, < কৃতদার, < পুরোহিত, < কেরানী, < রাষ্ট্রপতি, < প্রধানমন্ত্রী, < যোদ্ধা, < দলপতি, < জ্বীন, < জামাতা, < পীর, < দরবেশ, < মওলানা, < সরকার, < সেনাপতি, < বিচারপতি ইত্যাদি। এই শব্দগুলো পুরুষ বাচক হলেও এদের কোনো স্ত্রীলিঙ্গ প্রতিরূপ থাকে না, বরং একই শব্দ ব্যবহার করা হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: সাধু ভাষা সাধারনত কোথায় অনুপযোগী? ১৮তম বিসিএস

    (ক) কবিতার পঙক্তিতে (খ) গানের কলিতে
    (গ) নাটকের সংলাপে (ঘ) গল্পের বর্ণনায়
    close

    উত্তর: নাটকের সংলাপে

    • touch_app আরো ...

      সাধু ভাষা সাধারণত নাটকের সংলাপ, বক্তৃতা, এবং আধুনিক কথ্য কথোপকথনে অনুপযোগী, কারণ এর গুরুগম্ভীর ও সংস্কৃতঘেঁষা রূপ বাস্তব জীবনে বা দ্রুত যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাবলীল নয়; এটি মূলত গদ্য সাহিত্য, যেমন—গল্প, প্রবন্ধ, ও পাঠ্যপুস্তকের বর্ণনায় বেশি ব্যবহৃত হয়।
      যেসব ক্ষেত্রে সাধু ভাষা অনুপযোগী:
      নাটকের সংলাপ: চরিত্রদের স্বাভাবিক কথোপকথনের জন্য সাধু ভাষা উপযুক্ত নয়, কারণ এতে স্বাভাবিকতা থাকে না।
      বক্তৃতা: জনসমক্ষে ভাষণ বা বক্তৃতার ক্ষেত্রে সাধু ভাষার জটিল গঠন শ্রোতাদের কাছে কঠিন মনে হতে পারে।
      গানের কথা: গানের সুর ও লয়ের সঙ্গে সাধু ভাষার কাঠিন্য খাপ খায় না।
      আধুনিক কথ্য ভাষা: দৈনন্দিন জীবনের আলাপচারিতায়, যেমন—বন্ধুদের আড্ডা বা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে, সাধু ভাষা ব্যবহার করা হয় না।
      যেসব ক্ষেত্রে সাধু ভাষা উপযোগী:
      গল্প ও উপন্যাসের বর্ণনা: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বা গুরুগম্ভীর বর্ণনার জন্য।
      প্রবন্ধ ও গবেষণাপত্র: লিখিত ও আনুষ্ঠানিক রচনার জন্য।
      পাঠ্যপুস্তক: শিক্ষার্থীদের ভাষা শিক্ষার জন্য


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে কোনটির? ১৮তম বিসিএস

    (ক) শিষ্যা (খ) প্রিয়
    (গ) আয়া (ঘ) ননদ
    close

    উত্তর: ননদ

    • touch_app আরো ...

      "ননদ" শব্দের দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে: দেবর এবং নন্দাই। এই শব্দের পুরুষবাচক রূপগুলি নির্দিষ্ট সম্পর্ককে বোঝায়, যেমন দেবর বলতে স্ত্রীর ছোট ভাইকে এবং নন্দাই বলতে স্ত্রীর বড় ভাইকে বোঝানো হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) প্রাতিপদিক (খ) উপপদ
    (গ) নামপদ (ঘ) উপমিত
    close

    উত্তর: প্রাতিপদিক

    • touch_app আরো ...

      বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক (Pratipadik) বলা হয়, যা হলো নামপদের মূল রূপ বা ধাতু, যেমন 'জল', 'ফুল', 'হাত'—এগুলো কোনো বিভক্তি ছাড়া নাম বোঝাচ্ছে, এদেরকেই প্রাতিপদিক বলে, যা থেকে পরে বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'জলের', 'ফুলকে', 'হাতে' ইত্যাদি গঠিত হয়।
      সংজ্ঞা: যে নামশব্দ কোনো বিভক্তি (যেমন -কে, -রে, -এর, -এ, -তে, -দিয়ে) যুক্ত না হয়ে মূল অর্থ প্রকাশ করে, তাকে প্রাতিপদিক বলে।
      উদাহরণ:
      'জল' (জলের)
      'ফুল' (ফুলকে)
      'মানুষ' (মানুষের)
      'হাত' (হাতে)


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: কোন বাক্যটি দ্বারা অনুরোধ বুঝায়? ১৮তম বিসিএস

    (ক) দূর হও (খ) কাল একবার এসো
    (গ) তুই বাড়ি যা (ঘ) ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ
    close

    উত্তর: কাল একবার এসো

    • touch_app আরো ...

      যে বাক্য দ্বারা আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ বা নিষেধ বোঝানো হয়, তাকে অনুজ্ঞাসূচক বাক্য (Imperative Sentence) বলে; যেমন: "কাল একবার এসো" (অনুরোধ), "তুই বাড়ি যা" (আদেশ), "দয়া করে দরজাটা বন্ধ করো" বা "দূর হও" (ভর্ৎসনা)। অনুরোধ বোঝাতে সাধারণত 'দয়া করে', 'অনুগ্রহ করে', 'করুন/করো' বা 'এসো/যাও' ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা ভদ্রভাবে কিছু চাওয়াকে নির্দেশ করে।
      অনুরোধ বোঝানোর কিছু উদাহরণ:
      "দয়া করে আমাকে একটু সাহায্য করবেন।"
      "অনুগ্রহ করে এখানে বসুন।"
      "কাল একবার এসো।"
      "আপনি কি আমাকে বইটি দিতে পারবেন?"
      "আপনারা কি দয়া করে ভিতরে আসবেন?"


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: ধাতুর পর কোন পদ যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়? ১৮তম বিসিএস

    (ক) আই, আও (খ) আন
    (গ) আও (ঘ) আল
    close

    উত্তর: আই, আও

    • touch_app আরো ...

      ধাতুর (ক্রিয়ামূল) পর 'আও' (আও/আ) প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য (ক্রিয়ার ভাব বা কাজকে বোঝায়) গঠন করা হয়, যেমন—‘কর’ ধাতু থেকে 'করা', ‘ভোজন’ থেকে 'ভাও' (ভোজন) বা ‘শয়ন’ থেকে 'শাও' (শয়ন), যা ক্রিয়ার কাজকে বিশেষ্যে রূপান্তর করে।
      উদাহরণ:
      কর (ধাতু) + আও = করা (যেমন: আমি কাজটি করা শেষ করেছি)।
      ভোজন (ধাতু) + আও = ভোজন/ভাও (যেমন: তার ভোজন সম্পন্ন হয়নি)।
      শয়ন (ধাতু) + আও = শয়ন/শাও (যেমন: বাবার শয়ন এখনো বাকি আছে)।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'বচন' অর্থ কী? ১৮তম বিসিএস

    (ক) গণনার ধারণা (খ) ক্রমের ধারণা
    (গ) পরিমাপের ধারণা (ঘ) সংখ্যার ধারণা
    close

    উত্তর: সংখ্যার ধারণা

    • touch_app আরো ...

      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ'- বাক্যে 'মরি মরি' কোন শ্রেণীর অব্যয় ? ১৮তম বিসিএস

    (ক) অনন্বয়ী (খ) পদান্বয়ী
    (গ) অনুকার (ঘ) সমুচ্চয়ী
    close

    উত্তর: অনন্বয়ী

    • touch_app আরো ...

      'মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ'- বাক্যে 'মরি মরি' হলো অনন্বয়ী অব্যয়, যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব (যেমন - উচ্ছ্বাস বা বিস্ময়) প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, যেমনটি Satt Academy ব্যাখ্যা করেছে।
      অনন্বয়ী অব্যয়:
      সংজ্ঞা: যে অব্যয় পদগুলো বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে নানা প্রকার ভাব বা অনুভূতি (যেমন আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, ঘৃণা) প্রকাশ করে, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
      উদাহরণ: 'মরি মরি' এখানে প্রভাতের সৌন্দর্য দেখে বক্তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে, যা একটি স্বাধীন আবেগ।
      অন্যান্য বিকল্প কেন ভুল:
      সমুচ্চয়ী: যা দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে (যেমন: ও, আর, কিন্তু)।
      পদান্বয়ী: যা দুটি পদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে (যেমন: উপরে, নিচে, মধ্যে)।
      অনুকার: যা অনুকরণ বা ধ্বনি বোঝায় (যেমন: শনশন, ঝমঝম)


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'দোলনা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) দোল + অনা (খ) দুল + না
    (গ) দোলনা + আ (ঘ) দোল + না
    close

    উত্তর: দুল + না

    • touch_app আরো ...

      দোলনা শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো দুল্ + অনা, যেখানে 'দুল্' হলো মূল ধাতু (ক্রিয়াপদ) এবং 'অনা' হলো কৃৎ প্রত্যয়, যা দুলনা > দোলনা রূপে পরিবর্তিত হয়ে একটি বস্তু বা যন্ত্রের নাম বোঝায়।
      প্রকৃতি (ধাতু): দুল্ (দুল + অনা = দুলনা > দোলনা)।
      প্রত্যয়: অনা।
      ব্যাখ্যা: 'দুল্' ধাতু থেকে 'অনা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দুলনা' (যা দোল খায়) এবং পরে 'দোলনা' (দোল দেওয়ার একটি বস্তু) গঠিত হয়েছে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'কৌশলে কার্যোদ্ধার'- অর্থ কোনটি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) গাছে তুলে মই কাড়া (খ) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
    (গ) ধরি মাছ না ছুই পানি (ঘ) এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
    close

    উত্তর: ধরি মাছ না ছুই পানি

    • touch_app আরো ...

      'কৌশলে কার্যোদ্ধার'-এর অর্থ হলো " ধরি মাছ না ছুঁই পানি", যার মানে হলো চালাকি বা কৌশল খাটিয়ে নিজের কাজটি সম্পন্ন করা, কোনো ঝুঁকি না নিয়ে বা সরাসরি বিপদে না পড়ে কাজ হাসিল করা। এটি একটি বাগধারা, যা সাধারণত পরীক্ষায় আসে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।