পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন বেলফোর ঘোষণা ১৯৭১ এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন | (খ) অটোমানদের জায়গা দখল করা |
| (গ) জাতিপুঞ্জ | (ঘ) ইহুদিদের জ্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন করা |
উত্তর: ইহুদিদের জ্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন করা
১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব স্যার বেলফোর প্রখ্যাত ব্রিটিশ ইহুদি লর্ড রথচাইল্ড এর কাছে ফিলিস্তিনে ইহুদীদের একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে যে চিঠি লিখেন সেটি ইতিহাসে বেলফোর ঘোষণা নামে খ্যাত। বেলফোর ঘোষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন করা।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাস্ট্রের সপ্তম নৌবহর সদর দপ্তর হচ্ছে - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) ইউকোসুক | (খ) হাওয়াই |
| (গ) সুবিক বে | (ঘ) গোয়াম |
উত্তর: ইউকোসুক
প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর জাপানের ইউকোসুকে অবস্থিত। এই নৌবহরে ৭০ - ৮০ টি যুদ্ধ জাহাজ, ৩০০ টি যুদ্ধ বিমান এবং প্রায় ৪০,০০০ হাজার সেনা রয়েছে। গোয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৌঘাঁটি রয়েছে। সুবিক বেতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটি ২০১২ সালে প্রত্যাহার করা হয়। অন্যদিকে হাওয়াই হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি রাজ্য এবং পার্ল হারবার হাওয়াই অঙ্গরাজ্য অবস্থিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘ডমিনো’ তত্ত্বটি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল? ৩৫তম বিসিএস
| (ক) পূর্ব আফ্রিকা | (খ) নিকট প্রাচ্য |
| (গ) পূর্ব ইউরোপ | (ঘ) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া |
উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল। ১৯৫০ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এই তত্ত্বটি প্রচার করেছিল। ইন্দোচীনে যখন একের পর এক রাষ্ট্রে সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হচ্ছিল তখন সমাজতন্ত্রীদের ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে এই তত্ত্বে। ডমিনো তত্ত্বের মূল কথা হলো একটি রাষ্ট্র যদি সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যায় তাহলে তার পাশের রাষ্ট্রটিতেও সমাজন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাবে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘গ্লাসনস্তনীতি’ কোন দেশে চালু হয়েছিল? ৩৫তম বিসিএস
| (ক) পোল্যান্ড | (খ) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| (গ) হাঙ্গেরী | (ঘ) চীন |
উত্তর: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
রুশ শব্দ গ্লাসনস্ত মানে খোলানীতি। সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ এ নীতির প্রবর্তক। ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন থেকে সমাজতন্ত্রের ব্যবস্থার বা পার্টি ও রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন নেতাদের বিরোধিতা বা সমালোচনা করার অবকাশ সম্পূর্ণভাবে রুদ্ধ হয়। কিন্তু গর্বাচেভ ১৯৮৭ সালে ঘোষণা করেন যে , সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগন নির্ভয়ে খোলামেলাভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন এবং পার্টি ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের কর্মকান্ডের ও সমালোচনা করতে পারবেন গর্বাচেভ নিজেই তার এই নীতিকে গ্লাসনস্ত বলে অভিহিত করেন। অনেকটা এই গ্লাসনস্তের কারণেই সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায় এবং সমাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্ক অঞ্চলের বাহিরে আমন্ত্রিত রাস্ট্রের সংখ্যা - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) ৪ | (খ) ১ |
| (গ) ২ | (ঘ) ৩ |
উত্তর: ১
স্বাধীন ভারতে জন্ম নেওয়া ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ২০১৪ সালের ২৬ মে। ঐ দিনের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা ছিল ৪ হাজারের ও বেশি জাপানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া সার্কভুক্ত সকল দেশের সরকারপ্রধান শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সার্কের বাইরে একমাত্র দেশ হিসেবে মরিশাসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নবীন রামগুলাম আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বতর্মান বিশ্বের কোন দেশটির সংবিধানকে ‘শান্তি সংবিধান’ বলা হয়? ৩৫তম বিসিএস
| (ক) পেরু | (খ) জাপান |
| (গ) সুইজারল্যান্ড | (ঘ) কোস্টারিকা |
উত্তর: জাপান
শান্তি সংবিধান বলা হয় জাপানের সংবিধানকে । এটাকে আবার 'যুদ্ধোত্তর সংবিধান ' নামে ও অভিহিত করা হয় । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯৪৭ সালের ৩ মে জাপান পুরানো সংবিধান রহিত করে নতুন সংবিধান রচনা করে মূলত বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশনার জাপানের সংবিধান রচিত হয়েছিল। সংবিধানে উল্লেখ করা হয় জাপানি জনগণ 'জাতির একটি সার্বভৌম অধিকার হিসেবে চিরতরে যুদ্ধ পরিহার করছে' এবং ভূমি নৌ ও বিমানবাহিনীসহ অন্যান্য সম্ভাব্য যুদ্ধ সৃষ্টিকারী বাহিনী রাখবে না। এজন্যই মূলত জাপানের সংবিধান শান্তিবাদী সংবিধান নামে ও পরিচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: Global Terrorism Index ২০১৪ অনুযায়ী বিশ্বে সর্বাপেক্ষা ঝুঁকিপূর্ণ রাস্ট্র - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) সিরিয়া | (খ) সোমালিয়া |
| (গ) সুদান | (ঘ) ইরাক |
উত্তর: ইরাক
Global Terrorism Index ( GTI) ২০১৪ অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদে বিশ্বের শীর্ষ দেশ ইরাক । সিরিয়া, সুদান ও সোমালিয়া ও সন্ত্রাসবাদ সূচকের প্রথম কাতারে রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের রিপোর্টেও সন্ত্রাসবাদে শীর্ষ দেশ ইরাক।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য কোন দেশটি সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রীসভার বৈঠক করেছে ? ৩৫তম বিসিএস
| (ক) ফিজি | (খ) গোয়াম |
| (গ) পাপুয়া নিউগিনি | (ঘ) মালদ্বীপ |
উত্তর: মালদ্বীপ
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে - মালদ্বীপ।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের যেসব দেশ সবচেয়ে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। দেশটির লাখ লাখ নাগরিক নানা সময়ে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, দাবদাহ ও খরার মতো মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গাঙ্গেয় ব - দ্বীপের অনেক অংশ ডুবে যাবে।
বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তন কিছু কিছু অঞ্চলের আবহাওয়ার সংকটময় অবস্থাকে আরও শোচনীয় করে তুলবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী মোটামুটি ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আরও বেশি হুমকির মুখে ফেলবে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব-পশ্বিম দ্বন্দের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোটটির নাম ছিল - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) কোনটি নয় | (খ) কমিন্টার্ন |
| (গ) কমেনকন | (ঘ) কমিনফর্ম |
উত্তর: কমেনকন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের জানুয়ারি মাসে তদানীন্তন আমেরিকার পররাষ্ট্র সচিব জর্জ মার্শাল কর্তৃক ঘোষিত কমিউনিজমের বিস্তার রোধ কল্পে গৃহীত হয় মার্শাল প্ল্যান। এর প্রতিপক্ষ হিসেবে পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোতে সোভিয়েত আর্থিক সাহায্য প্রদানের উদ্দেশ্যে মস্কোতে 'পারস্পরিক অর্থনৈতিক সাহায্য পরিষদ বা Council for Mutual Economic Assistance (COMECON ) বা কমেকন ) গঠন করা হয়। প্রাথমিকভাবে পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে এ প্রতিষ্ঠানের সদস্য হলে ও পরে পূর্ব জার্মানি , আলবেনিয়া এমনকি উত্তর কোরিয়া ও তদানীন্তন উত্তর ভিয়েতনাম এ দুটো এশিয়ান দেশও এর সদস্য হিসেবে যোগদান করে। সংগঠনটি ১৯৪৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ব্রিকসের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) রাশিয়া | (খ) দক্ষিণ আফ্রিকা |
| (গ) ভারত | (ঘ) ব্রাজিল |
উত্তর: রাশিয়া
ব্রিকসের সর্বশেষ বৈঠক: ১৬তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় রাশিয়ায়, ‘কজান’ এ, যেখানে মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘উইঘুর’ হলো - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) চীনের একটি শহরের নাম | (খ) চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম |
| (গ) চীনের একটি খাবারের নাম | (ঘ) চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম |
উত্তর: চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
চীনের মুসলিম অধ্যুষিত জিনজিয়ান প্রদেশে বসবাসকারী মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম হলো উইঘুর। চীন ছাড়াও উইঘুররা কাজখস্তান, উজবেকিস্তান, কিরঘিজস্তান, তুরঙ্ক ও রাশিয়াতে বসবাস করছে। চীনা সরকারের বিভিন্ন সময়ের দমন পীড়নে উইঘুররা আলোচনায় আসে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী সীমা হবে হবে ভিত্তি রেখা হতে - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) ৩০০ নটিক্যাল মাইল | (খ) ২০০ নটিক্যাল মাইল |
| (গ) ৪৫০ নটিক্যাল মাইল | (ঘ) ৩৫০ নটিক্যাল মাইল |
উত্তর: ২০০ নটিক্যাল মাইল
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সিংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিকেল মাইল এবং অর্থনৈতিক সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ২০০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মংডু কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা? ৩৫তম বিসিএস
| (ক) মায়ানমার-চীন | (খ) বাংলাদেশ-মায়ানমার |
| (গ) ভারত-মায়ানমার | (ঘ) বাংলাদেশ-ভারত |
উত্তর: বাংলাদেশ-মায়ানমার
মংডু হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে মিয়ানমারের একটি জেলা শহর । নাফ নদীর মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে। টেকনাফ - মংডু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার একটি সীমান্ত বাণিজ্য ও বটে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে - ৩৫তম বিসিএস
| (ক) জাতিসংঘের যুদ্ধ মোকাবেলা সংক্রান্ত চুক্তি | (খ) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি |
| (গ) জাতিসংঘের শিশু অধিকার বিষয়ক চুক্তি | (ঘ) জাতিসংঘের নারী অধিকার বিষয়ক চুক্তি |
উত্তর: জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
জীবপ্রযুক্তির ব্যবহার দ্বারা পরিমার্জিত প্রাণের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত 'কার্টাগেনা প্রটোকল' ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়, যা কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩। বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এটি স্বাক্ষর করে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। কার্টাগেনা প্রটোকলের পুরো নাম Carthage Protocol on Bio safety to the Convention on Biological Diversity.
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ১৯৮৯ থেকে ওজনস্তর বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকল কত বার সংসোধন করা হয়? ৩৫তম বিসিএস
| (ক) ৯ | (খ) ৮ |
| (গ) ৪ | (ঘ) ৭ |
উত্তর: ৯
ওজোন স্তরকে রক্ষা করার জন্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সাক্ষরিত হয় মন্ট্রিল চুক্তি এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হয়। এ পর্যন্ত মন্ট্রিয়ল চুক্তি ৯ বার সংশোধন হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে এটি সংশোধিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।