পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


সাধারন বিজ্ঞান
  • প্রশ্ন: ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে কী বলে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ছায়াবৃত্ত (খ) গুরুবৃত্ত
    (গ) গোধূলি (ঘ) ঊষা
    close

    উত্তর: ছায়াবৃত্ত

    • touch_app আরো ...

      ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে ছায়াবৃত্ত (Terminator) বলা হয়। এই বৃত্তাকার রেখাটি পৃথিবীর যে অর্ধেক আলোকিত এবং যে অর্ধেক অন্ধকার, তার মধ্যে বিভাজন তৈরি করে।
      ছায়াবৃত্ত: এই অংশটি সৌরদীপ্ত এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের মধ্যে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা, যা সময়ের সাথে সাথে পৃথিবীর আবর্তনের কারণে পরিবর্তিত হয়।
      প্রভাত ও গোধূলি: ছায়াবৃত্তের কাছাকাছি থাকা অঞ্চলগুলিতে যথাক্রমে ঊষা (প্রভাতের পূর্বের হালকা আলো) এবং গোধূলি (সন্ধ্যার পূর্বের হালকা আলো) দেখা যায়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ৭৫ সেমি (খ) ৭৬ সেমি
    (গ) ৭২ সেমি (ঘ) ৭৭ সেমি
    close

    উত্তর: ৭৬ সেমি

    • touch_app আরো ...

      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) লুব্ধক (খ) ধ্রুবতারা
    (গ) প্রক্সিমা সেন্টারাই (ঘ) পুলহ
    close

    উত্তর: লুব্ধক

    • touch_app আরো ...

      রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো লুব্ধক (Sirius), যা ক্যানিস মেজর (Canis Major) নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত এবং এটি একটি যুগ্মতারা; এটি পৃথিবী থেকে মাত্র ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে থাকায় এবং এর নিজস্ব উজ্জ্বলতার কারণে এত উজ্জ্বল দেখায়।
      আরও কিছু তথ্য:
      অন্যান্য নাম: লুব্ধককে ইংরেজিতে 'সিরিয়াস' (Sirius) বা 'ডগ স্টার' (Dog Star) বলা হয়।
      উজ্জ্বলতার কারণ: এর অসাধারণ উজ্জ্বলতার কারণ হলো এর নিজস্ব উজ্জ্বলতা এবং পৃথিবীর খুব কাছে অবস্থান (মাত্র ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে)।
      সূর্য: যদিও লুব্ধক রাতের আকাশের উজ্জ্বলতম তারা, কিন্তু সূর্য আমাদের দিনের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র, কারণ এটি আমাদের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত।
      দ্বিতীয় উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাতের আকাশের দ্বিতীয় উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো ক্যানোপাস (Canopus)।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: জোয়ার ভাটার তেজ কটাল কখন হয়? ১৮তম বিসিএস

    (ক) একাদশীতে (খ) পঞ্চমীতে
    (গ) অমাবস্যায় (ঘ) অষ্টমীতে
    close

    উত্তর: অমাবস্যায়

    • touch_app আরো ...

      অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে তেজকটাল (বা ভরা কটাল) হয়, যখন চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকে। এই সময়ে সূর্য ও চাঁদের মিলিত মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বলের প্রভাবে সবচেয়ে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়।
      অমাবস্যা ও পূর্ণিমা: এই দুটি তিথি তেজকটাল বা ভরা কটাল হওয়ার জন্য প্রধান কারণ।
      একই সরলরেখায় অবস্থান: পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য যখন একই সরলরেখায় থাকে, তখন এদের মিলিত আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি হয়।
      তেজ জোয়ার: এই সম্মিলিত বলের প্রভাবে সমুদ্রের জল अत्यधिक পরিমাণে ফুলে ওঠে, যা 'তেজ কটাল' বা 'ভরা কটাল' নামে পরিচিত।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়‒ ১৯তম বিসিএস

    (ক) এমোনিয়া (খ) মিথেন
    (গ) বিউটেন (ঘ) ইথেন
    close

    উত্তর: মিথেন

    • touch_app আরো ...

      প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় মূলত মিথেন গ্যাস (বায়োগ্যাস) এবং বিভিন্ন ধরনের জৈব যৌগ (যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড, ইথানল) উৎপন্ন হয়, যা জৈব পদার্থকে ভেঙে পুষ্টি উপাদান (নাইট্রোজেন, ফসফরাস) পুনরায় প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে। এটি একটি অ্যানেরোবিক প্রক্রিয়া, যেখানে অক্সিজেনের অভাবে ব্যাকটেরিয়া জৈব পদার্থকে পচিয়ে শক্তি উৎপাদন করে। উৎপন্ন প্রধান উপাদান: মিথেন গ্যাস (\(CH_{4}\)): বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান, যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।কার্বন ডাইঅক্সাইড (\(CO_{2}\)): মিথেন গ্যাসের সঙ্গে উৎপন্ন হয়।ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যাসিটেট, ইথানল: অন্যান্য গাঁজন প্রক্রিয়ায় (যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড গাঁজন) উৎপন্ন হতে পারে।পুষ্টি উপাদান: নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি যা সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রক্রিয়া: অ্যানেরোবিক হজম: ব্যাকটেরিয়ারা (যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া) অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে পশুর সার ও অন্যান্য জৈব পদার্থ ভেঙে ফেলে।গ্লাইকোলাইসিস: এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ, যেখানে পাইরুভিক অ্যাসিড তৈরি হয়।চূড়ান্ত উৎপাদিত পণ্য: পাইরুভেটকে তখন মিথেন, ল্যাকটিক অ্যাসিড, ইথানল বা অন্যান্য যৌগে রূপান্তরিত করা হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার? ১৯তম বিসিএস

    (ক) এস্ট্রোজেন (খ) ইনসুলিন
    (গ) এনড্রোজেন (ঘ) থাইরক্সিন
    close

    উত্তর: ইনসুলিন

    • touch_app আরো ...

      বহুমূত্র রোগে (ডায়াবেটিস) মূলত ইনসুলিন (Insulin) নামক হরমোনের অভাব বা কার্যকারিতা হ্রাস পায়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে; তাই এই রোগে ইনসুলিন হরমোনের প্রয়োজন হয়, যা শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি করতে পারে না বা তৈরি হলেও ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারে না।
      কেন ইনসুলিন দরকার:
      শর্করা নিয়ন্ত্রণ: ইনসুলিন হরমোন আমাদের শরীরের কোষগুলোতে শর্করা (গ্লুকোজ) প্রবেশ করতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
      অভাব: যখন অগ্ন্যাশয় (pancreas) যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করে না (টাইপ ১ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে) অথবা শরীর উৎপাদিত ইনসুলিন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না (টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে), তখন বহুমূত্র রোগ হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস? ১৯তম বিসিএস

    (ক) মিথেন (খ) ক্লোরোফ্লুরো কার্বন
    (গ) কার্বন মনোক্সাইড (ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
    close

    উত্তর: ক্লোরোফ্লুরো কার্বন

    • touch_app আরো ...

      ওজোন স্তরের ফাটলের (ক্ষয়ের) জন্য মুখ্যত দায়ী গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs) এবং হ্যালন ও কার্বন টেট্রাক্লোরাইডের মতো অন্যান্য হ্যালোজেনযুক্ত যৌগ, যা রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসল স্প্রে ও ফোমিং এজেন্ট থেকে নির্গত হয় এবং স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে গিয়ে ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত করে ওজোন অণু ধ্বংস করে। মূল কারণ: CFCs (ক্লোরোফ্লুরোকার্বন): এই মনুষ্যসৃষ্ট গ্যাসগুলি ওজোন স্তরের ক্ষয়কারী প্রধান পদার্থ।কার্যপদ্ধতি: CFC অণুগুলি যখন অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভেঙে যায়, তখন মুক্ত হওয়া ক্লোরিন পরমাণু (Cl) ওজোন (\(O_{3}\)) অণুর সাথে বিক্রিয়া করে এটিকে ভেঙে দেয়। যেসব উৎস থেকে নির্গত হয়: রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার (AC)অ্যারোসল স্প্রে (যেমন ডিওডোরেন্ট, কীটনাশক)ফোমিং এজেন্ট, দ্রাবক, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুদ্ধ জমাট বাধায় ? ১৯তম বিসিএস

    (ক) পেপসিন (খ) ট্রিপসিন
    (গ) রেনিন (ঘ) এমাইলেজ
    close

    উত্তর: রেনিন

    • touch_app আরো ...

      পাকস্থলীতে দুধ জমাট বাঁধায় রেনিন জারক রস। এটি দুধের প্রোটিন, কেসিনকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়, যা হজমে সাহায্য করে। রেনিনকে কাইমোসিনও বলা হয়।
      রেনিনের কাজ: রেনিন দুধে থাকা কেসিনোজেন নামক প্রোটিনকে ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে জমাট বা দইয়ের মতো জমাট বাঁধার মতো কেসিন-এ রূপান্তরিত করে।
      গুরুত্ব: এই জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াটি নিশ্চিত করে যে দুধ পাকস্থলীতে যথেষ্ট সময় ধরে হজমকারী এনজাইমের সংস্পর্শে থাকে।
      অন্যান্য এনজাইম: পেপসিন এবং ট্রিপসিন প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে, এবং অ্যামাইলেজ কার্বোহাইড্রেট পরিপাকে সহায়তা করে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়? ২০তম বিসিএস

    (ক) নেপচুনিয়াম (খ) লৌহ
    (গ) ইউরেনিয়াম (ঘ) প্লুটোনিয়াম
    close

    উত্তর: লৌহ

    • touch_app আরো ...

      লৌহ তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়, কারণ এর পারমাণবিক সংখ্যা (\(26\)) ৮২-এর কম এবং এটি তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে না। অন্যদিকে, ইউরেনিয়াম, প্লুটোনিয়াম এবং নেপচুনিয়ামের মতো মৌলগুলো তেজস্ক্রিয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: কোন পদার্থটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি? ২০তম বিসিএস

    (ক) লৌহ (খ) তামা
    (গ) রাবার (ঘ) এলুমিনিয়াম
    close

    উত্তর: লৌহ

    • touch_app আরো ...

      প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে লৌহ-এর স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে বেশি, কারণ স্থিতিস্থাপকতা মানে বল অপসারণের পর বস্তুর পূর্বাবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতা; লৌহ বা < ইস্পাত (লোহার সংকর) রাবারের চেয়ে অনেক কম বিকৃত হয় এবং দ্রুত আগের আকারে ফিরে আসে, তাই এদের স্থিতিস্থাপকতা বেশি।
      ব্যাখ্যা: যে পদার্থকে বিকৃত করতে বেশি বল লাগে এবং বল সরানোর পর যে দ্রুত নিজের আসল রূপ ফিরে পায়, তার স্থিতিস্থাপকতা বেশি হয়।
      রাবার: স্থিতিস্থাপক হলেও, লৌহের তুলনায় একই পরিমাণ বল প্রয়োগে রাবার অনেক বেশি বিকৃত হয় এবং ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফেরে, তাই এটি কম স্থিতিস্থাপক।
      লৌহ/ইস্পাত: এটি খুব দৃঢ় (rigid) এবং সামান্য বল প্রয়োগে খুব কম বিকৃত হয় ও দ্রুত আগের অবস্থায় ফেরে, তাই এর স্থিতিস্থাপকতা অনেক বেশি


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: কোনটি চৌম্বক পদার্থ নয়? ২০তম বিসিএস

    (ক) অ্যালুমিনিয়াম (খ) অ্যালুমিনিয়াম
    (গ) কোবাল্টন (ঘ) কাঁচা লোহা
    close

    উত্তর: অ্যালুমিনিয়াম

    • touch_app আরো ...

      চৌম্বক পদার্থ নয় এমন একটি উদাহরণ হলো অ্যালুমিনিয়াম, এছাড়া পারদ, বিসমাথ, কাচ, তামা, পিতল, রুপা, সোনা ইত্যাদিও অচৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, ইস্পাত, এবং ম্যাঙ্গানিজ হলো চৌম্বক পদার্থ কারণ চুম্বক এদের আকর্ষণ করে।
      অচৌম্বক পদার্থ (Non-magnetic materials): অ্যালুমিনিয়াম, তামা, সোনা, রুপা, পিতল, পারদ, কাচ, বিসমাথ।
      চৌম্বক পদার্থ (Magnetic materials): লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, ইস্পাত, ম্যাঙ্গানিজ।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে, তাকে কী বলে? ২০তম বিসিএস

    (ক) বিম্ব (খ) দর্পণ
    (গ) প্রিজম (ঘ) লেন্স
    close

    উত্তর: দর্পণ

    • touch_app আরো ...

      যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে, তাকে দর্পণ (Mirror) বা আয়না বলা হয়, যা আলোকরশ্মিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রতিফলিত করে এবং প্রতিবিম্ব গঠন করে।
      দর্পণ (Mirror): একটি বিশেষভাবে তৈরি মসৃণ তল যা আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটায়।
      উদাহরণ: একটি সাধারণ আয়না, যা আমাদের প্রতিবিম্ব দেখায়।
      প্রতিফলনের প্রকার: যখন আলোকরশ্মি একটি মসৃণ পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরালভাবে ফিরে আসে, তখন তাকে নিয়মিত প্রতিফলন (Regular Reflection) বলে, যা দর্পণে ঘটে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কী? ২০তম বিসিএস

    (ক) গামা রশ্মি (খ) আলোক তরঙ্গ
    (গ) মাইক্রোওয়েভ (ঘ) অবলোহিত বিকিরণ
    close

    উত্তর: মাইক্রোওয়েভ

    • touch_app আরো ...

      রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় তার নাম মাইক্রোওয়েভ (Microwave) (ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বেতার তরঙ্গ), যা প্রতিফলিত হয়ে বস্তুর অবস্থান ও দূরত্ব নির্ণয়ে সাহায্য করে, কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এটি সুনির্দিষ্টভাবে বস্তুর সাথে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে এবং সহজে প্রতিফলিত হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কার করে কোন বিজ্ঞানী নোবেল পান ? ২০তম বিসিএস

    (ক) হাবল (খ) আইনস্টাইন
    (গ) টলেমী (ঘ) হেস
    close

    উত্তর: হেস

    • touch_app আরো ...

      মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস (Victor Francis Hess) ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান; তিনি কারl ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে এই পুরস্কার লাভ করেন। হেস ১৯১২ সালে বেলুন পরীক্ষার মাধ্যমে মহাজাগতিক রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেছিলেন


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: তড়িৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে? ২০তম বিসিএস

    (ক) এ্যামপ্লিফায়ার (খ) মাইক্রোফোন
    (গ) জেনারেটর (ঘ) লাউড স্পিকার
    close

    উত্তর: লাউড স্পিকার

    • touch_app আরো ...

      তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রধান যন্ত্র হলো লাউডস্পিকার (Loudspeaker), যা বৈদ্যুতিক সংকেতকে কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গে পরিণত করে; অপরদিকে মাইক্রোফোন (Microphone) এর বিপরীত কাজটি করে, অর্থাৎ শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
      লাউডস্পিকার যেভাবে কাজ করে:
      বৈদ্যুতিক সংকেত: একটি বৈদ্যুতিক সংকেত (যেমন গান বা কথা) স্পিকারের কয়েলের মধ্য দিয়ে যায়।
      চৌম্বক ক্ষেত্র ও কম্পন: এই কয়েল একটি স্থায়ী চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে থাকে, ফলে সংকেতের তারতম্য অনুযায়ী কয়েলটি আন্দোলিত হয় এবং স্পিকারের ডায়াফ্রাম (পর্দা) কাঁপতে শুরু করে।
      শব্দ সৃষ্টি: ডায়াফ্রামের এই কম্পন সামনের বাতাসকে কম্পিত করে, যা শব্দ তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং আমরা শব্দ শুনতে পাই


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।