পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: বাতাসের নাইট্রোজেন কীভাবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে? ১৫তম বিসিএস
| (ক) সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব প্রস্তুত করে | (খ) পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে |
| (গ) মাটির অজৈব লবণনে পরিবর্তিত করে | (ঘ) ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে |
উত্তর: পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘গ্রীন হাউজ ইফেক্টের’ পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কি হবে? ১৫তম বিসিএস
| (ক) নিন্মভূমি নিমজ্জিত হবে | (খ) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে |
| (গ) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে | (ঘ) বৃষ্টিপাত কমে যাবে |
উত্তর: নিন্মভূমি নিমজ্জিত হবে
গ্রিনহাউস প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, যার ফলে দেশের বিশাল নিম্নভূমি, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল প্লাবিত হয়ে যাবে, লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এবং দেশের ভূ-ভাগের একটি বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে, যা কৃষি ও অন্যান্য জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে।
প্রধান ক্ষতিগুলো হলো:
উপকূলীয় নিমজ্জন: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের নিচু এলাকা, বিশেষ করে সুন্দরবন ও উপকূলীয় জেলাগুলো স্থায়ীভাবে পানির নিচে তলিয়ে যাবে।
জনসংখ্যার বাস্তুচ্যুতি: সমুদ্রের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে দেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%) মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে জলবায়ু শরণার্থীতে পরিণত হবে।
কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: লবণাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমি অনাবাদী হয়ে পড়বে, যা খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের সংকট তৈরি করবে।
অবকাঠামোগত ক্ষতি: রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, এবং অন্যান্য অবকাঠামো প্লাবিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: অতিবৃষ্টি, খরা, এবং ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা ও সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, যা আরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাবে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিত্য ব্যবহার্য বহু ‘অ্যারোসলের’ কৌটায় এখন লেখা থাকে সি.এফ.সি বিহীন।সি.এফ.সি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক? ১৫তম বিসিএস
| (ক) গ্রীন হাউজ এফেক্টে অবদান রাখে | (খ) দাহ্য বলে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি করে |
| (গ) ওজোন স্তরে ফুটো তৈরি করে | (ঘ) ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে |
উত্তর: ওজোন স্তরে ফুটো তৈরি করে
সি.এফ.সি (CFC - Chlorofluorocarbon) গ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর-কে ধ্বংস করে, যার ফলে সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছায় এবং মানুষ ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে, যেমন—ত্বকের ক্যান্সার, ছানি পড়া, ফসলহানি, এবং জলজ প্রাণীর ক্ষতি। এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবেও কাজ করে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নে অবদান রাখে। সি.এফ.সি গ্যাসের ক্ষতিকর দিক: ওজোন স্তর ক্ষয়: বায়ুমণ্ডলে নির্গত সি.এফ.সি গ্যাস উপরের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে পৌঁছায়। সেখানে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়, যা ওজোন (\(O_{3}\)) অণুকে ভেঙে দেয় এবং ওজোন স্তরে বড় ছিদ্র (ozone hole) তৈরি করে।স্বাস্থ্য ঝুঁকি: ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়ায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV-B) পৃথিবীতে আসে, যা ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে।পরিবেশগত প্রভাব: এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সমস্যা বাড়ায় এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।নিরব ঘাতক: এটি নিজে দাহ্য বা বিষাক্ত না হলেও, ওজোন স্তরের ক্ষতি করার কারণে এটি 'নিরব ঘাতক' (silent killer) হিসেবে পরিচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আল্ট্রাসনোগ্রাফী কী? ১৫তম বিসিএস
| (ক) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং | (খ) শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ |
| (গ) নতুন ধরনের এক্সরে | (ঘ) শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তা পাথর বিচূর্ণকরণ |
উত্তর: ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং
আল্ট্রাসনোগ্রাম (Ultrasonogram) হলো এক ধরনের ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, যা উচ্চ-কম্পাঙ্কের শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ছবি তৈরি করে; একে আল্ট্রাসাউন্ড বা ইউএসজি (USG) নামেও ডাকা হয়, যা রোগ নির্ণয়, বিশেষত গর্ভবতী মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পেটে ব্যথা বা আঘাতের কারণ বোঝা এবং অঙ্গের আকার ও ঘনত্ব পর্যবেক্ষণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের তড়িৎ-এর কম্পাংক প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল-এর তাৎপর্য কি? ১৫তম বিসিএস
| (ক) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার উঠানামা করে | (খ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায় |
| (গ) কোনটীই নয় | (ঘ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে |
উত্তর: প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
বাংলাদেশের তড়িৎ-এর কম্পাঙ্ক প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল (50Hz) হওয়ার তাৎপর্য হলো, বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার তার দিক পরিবর্তন করে বা উঠানামা করে, যা আমাদের घरों যন্ত্রপাতি (যেমন: পাখা, বাতি) সঠিকভাবে চালানোর জন্য একটি আদর্শ ও স্ট্যান্ডার্ড মান, যাতে যন্ত্রগুলো মসৃণভাবে ও নিরাপদে কাজ করতে পারে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নদীর একপাশ থেকে গুন টেনে নৌকাকে মাঝনদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে? ১৫তম বিসিএস
| (ক) নদী স্রোতের ব্যবহার করে | (খ) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে |
| (গ) পাল ব্যবহার করে | (ঘ) গুন টানার সময় টানটি সাম্নের দিকে রেখে |
উত্তর: যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
নদীর একপাশ থেকে গুন টেনেও নৌকাকে মাঝনদীতে রেখে সামনে এগোনো সম্ভব হয়, কারণ গুণের টান দুটি ভাগে ভাগ হয়ে কাজ করে: একটি নৌকাকে সামনে এবং অন্যটি নৌকাকে পাড়ের দিকে টানে, আর মাঝি হাল ঘুরিয়ে পাড়ের দিকে যাওয়া বলকে প্রশমিত (cancel) করে দেন, ফলে নৌকার সামনের দিকে যাওয়ার বলটিই প্রধান হয়ে ওঠে, যা নৌকাকে মাঝনদীতে রেখেও এগিয়ে যেতে সাহায্য করে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আকাশ নীল দেখায় কেন? ১৫তম বিসিএস
| (ক) নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেমি বলে | (খ) নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে |
| (গ) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে | (ঘ) নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে |
উত্তর: নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
আলোর বিক্ষেপণের কারণে আকাশ নীল দেখায়। সূর্যের আলোকরশ্মি যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, তখন বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণু ও ধূলিকণা দ্বারা এটি বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই ছড়িয়ে পড়া আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত হয় এবং আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়। তাই পরিষ্কার আকাশকে নীল দেখায়।
আলোর বিক্ষেপণ: সূর্যের আলোতে নীল, বেগুনি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল — এই সব রঙের আলো মিশ্রিত থাকে, যাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন।
কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য: নীল ও বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, আর লাল ও কমলা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
নীল আলোর আধিক্য: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণু (যেমন নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল ও বেগুনি আলোকে সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত করে।
চোখের সংবেদনশীলতা: বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নীলের চেয়েও কম হলেও, মানুষের চোখ নীল আলোর প্রতি বেশি সংবেদনশীল, তাই আমরা আকাশকে নীল দেখি, বেগুনি নয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না- ১৫তম বিসিএস
| (ক) অনুর্বর | (খ) ঊষর |
| (গ) পতিত | (ঘ) বন্ধ্যা |
উত্তর: ঊষর
যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না, তাকে এক কথায় ঊষর বা অনুর্বর বলা হয়। এটি এমন এক ধরনের জমি যা চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত নয় এবং উর্বরতার অভাবের কারণে শস্য উৎপাদন করতে পারে না।
ঊষর: যে জমিতে ফসল জন্মায় না (সঠিক উত্তর)।
অনুর্বর: যে জমি উর্বর নয় বা যেখানে ভালো ফসল হয় না।
পতিত: যে জমি চাষ করা হয় না বা পড়ে থাকে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় – ১৬তম বিসিএস
| (ক) শুশুক | (খ) জেলী ফিস |
| (গ) পটক মাছ | (ঘ) হাঙ্গর |
উত্তর: শুশুক
শুশুক পানির জীব হয়েও বাতাসে শ্বাস নেয় কারণ এদের ফুলকা নেই এবং এরা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। তাই শ্বাস নেওয়ার জন্য এদেরকে পানির উপর ভেসে উঠতে হয়
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: পীট কয়লার বৈশিষ্ট হল- ১৬তম বিসিএস
| (ক) ভিজা ও নরম | (খ) দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক |
| (গ) পাহাড়ী এলাকায় পাওয়া যায় | (ঘ) মাটির অনেক গভীরে থাকে |
উত্তর: ভিজা ও নরম
পীট কয়লার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি ভিজা ও নরম হয়, এতে আর্দ্রতার পরিমাণ অনেক বেশি (৭৫% এর বেশি) থাকে, কার্বনের পরিমাণ তুলনামূলক কম (৬০% এর কম) থাকে এবং এতে শনাক্তযোগ্য উদ্ভিজ্জ অংশ দেখা যায়, যা এটিকে কয়লার সবচেয়ে প্রাথমিক রূপ হিসেবে চিহ্নিত করে এবং এটি সহজে জ্বলে।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
আর্দ্র ও নরম: এটি ভেজা এবং মাটির মতো নরম হয়, যা ছুরি দিয়েও কাটা যায়।
উচ্চ আর্দ্রতা: এতে ৭৫ শতাংশের বেশি জলীয় উপাদান থাকে।
কম কার্বন: কার্বনের পরিমাণ ৬০% এর নিচে থাকে, যা অন্যান্য কয়লার (যেমন লিগনাইট, বিটুমিনাস) তুলনায় কম।
উদ্ভিজ্জ গঠন: এটি জলাভূমিতে থাকা গাছপালা, শ্যাওলা ইত্যাদির আংশিক পচনের ফলে তৈরি হয়, তাই এতে উদ্ভিজ্জ কণার চিহ্ন থাকে।
কম দহন ক্ষমতা: আর্দ্রতা ও কম কার্বনের কারণে এর দহন ক্ষমতা সাধারণ কয়লার তুলনায় কম, তবে শুষ্ক অবস্থায় এটি সহজে জ্বলে।
প্রাথমিক ধাপ: এটি কয়লা তৈরির একেবারে প্রাথমিক বা নিম্নমানের স্তর
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ হোল- ১৬তম বিসিএস
| (ক) ফটো লিথোগ্রাফী | (খ) অফসেট পদ্ধতি |
| (গ) কম্পিউটার | (ঘ) প্রসেস ক্যামেরা |
উত্তর: ফটো লিথোগ্রাফী
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো ফটো লিথোগ্রাফি (Photolithography), যা কম্পিউটার ও অফসেট পদ্ধতির সাথে যুক্ত হয়ে দ্রুত, নিখুঁত ও কম খরচে ছাপার কাজ সম্ভব করেছে, যেখানে ধাতব অক্ষর তৈরির জটিলতা ও খরচ এড়ানো যায়।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ফটো লিথোগ্রাফি: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলো ব্যবহার করে একটি ছবির (টেক্সট বা ইমেজ) প্রিন্ট সরাসরি প্লেটে স্থানান্তরিত হয়, যা ঐতিহ্যবাহী ধাতব টাইপ সেট করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
কম্পিউটার ও ডিজিটাল প্রযুক্তি: কম্পিউটার ডিজাইন ও ডেটা প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি প্লেট তৈরি (Computer-to-Plate) বা ডিজিটাল প্রিন্টিংয়ের পথ খুলে দিয়েছে।
অফসেট পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে ফটোগ্রাফিক প্লেট ব্যবহার করা হয়, যেখানে ধাতব অক্ষরের বদলে আলোক-সংবেদনশীল প্লেট ব্যবহৃত হয়, যা দ্রুত ও বড় পরিসরে মুদ্রণের জন্য বেশি কার্যকর
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য- ১৬তম বিসিএস
| (ক) ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ | (খ) অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার |
| (গ) নতুন ধরনের মাইক্রোফোন | (ঘ) বোতাম টিপিয়া ডায়াল করা |
উত্তর: ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ এবং ইন্টারনেট বা ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার করে কল করা ও গ্রহণ করা (VoIP)। অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে বোতাম টিপে ডায়াল করা, অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা এবং বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা প্রদান করা।
ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ: ডিজিটাল টেলিফোন অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার করে ডেটা প্রেরণ করে, যা আরও স্পষ্ট এবং নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
ইন্টারনেট বা ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে সংযোগ: এটি ঐতিহ্যবাহী তামার তারের উপর নির্ভর না করে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে ডেটা প্রেরণ করে, যা ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল (VoIP) নামে পরিচিত।
বোতাম টিপে ডায়াল করা: অ্যানালগ টেলিফোনের মতো rotary dial না হয়ে ডিজিটাল টেলিফোন সাধারণত বোতাম টিপে ডায়াল করার সুবিধা দেয়।
অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার: ডেটা প্রেরণের জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা যেতে পারে, যা ডেটা স্থানান্তরের গতি এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
অন্যান্য সুবিধা: ডিজিটাল টেলিফোনে আরও বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা থাকে, যেমন কলার আইডি, কল ওয়েটিং এবং আরও অনেক কিছু
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আবহাওয়ায় ৯০% আদ্রতা মানে- ১৬তম বিসিএস
| (ক) বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০% | (খ) বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০% |
| (গ) ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প | (ঘ) বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০% |
উত্তর: বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
আর্দ্রতা ৯০% বলতে বোঝায় যে, একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাতাসে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকতে পারে, তার ৯০ শতাংশই বর্তমানে বাতাসে উপস্থিত আছে। এর সহজ অর্থ হলো বাতাস প্রায় সম্পৃক্ত, অর্থাৎ জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতায় প্রায় পূর্ণ
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়-- ১৬তম বিসিএস
| (ক) স্নায়ুর ভেতর দিয়ে | (খ) শিরার ভেতর দিয়ে |
| (গ) ধমনীর ভেতর দিয়ে | (ঘ) কোষের ভেতর দিয়ে |
উত্তর: ধমনীর ভেতর দিয়ে
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভিতর দিয়ে (Arteries), কারণ হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে ধমনীর মধ্যে যে চাপ ও স্পন্দন সৃষ্টি হয়, সেটিই নাড়ির স্পন্দন হিসেবে অনুভূত হয়। এই স্পন্দন রক্ত প্রবাহের সাথে সাথে ধমনীর প্রাচীরকে সংকুচিত ও প্রসারিত করে।
মূল বিষয়:
ধমনি (Artery): হৃৎপিণ্ড থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেয়।
প্রবাহ: হৃৎপিণ্ডের প্রতিটি স্পন্দনের সাথে ধমনীতে যে ধাক্কা লাগে, সেটাই নাড়ির স্পন্দন।
অনুভব: এই স্পন্দন সাধারণত কব্জি বা ঘাড়ের মতো অংশে ধমনীর উপর চাপ দিলে বোঝা যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: চাঁদে কোন শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন? ১৬তম বিসিএস
| (ক) চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই | (খ) চাঁদে কোন পানি নেই তাই |
| (গ) চাঁদে কোন জীব নেই তাই | (ঘ) চাঁদের মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই |
উত্তর: চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
চাঁদে শব্দ শোনা যায় না কারণ শব্দ তরঙ্গ চলাচলের জন্য কোনো মাধ্যম (যেমন বাতাস) নেই; চাঁদের পৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডল না থাকায় শব্দ কম্পন ছড়িয়ে পড়তে পারে না, ফলে তা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে না, তাই চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যায় না।
কেন শোনা যায় না:
মাধ্যম নেই: শব্দ তরঙ্গ (sound waves) কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় মাধ্যমের (medium) মধ্য দিয়ে চলাচল করে। পৃথিবীতে বাতাস (বায়ুমণ্ডল) এই মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
শূন্যস্থান: চাঁদ মূলত একটি শূন্যস্থান (vacuum)। এখানে বাতাস বা অন্য কোনো কণা নেই যা শব্দের কম্পনকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাবে।
কম্পনের অভাব: শব্দ হলো কম্পন। এই কম্পন ছড়িয়ে পড়ার জন্য অণু-পরমাণুর প্রয়োজন, যা চাঁদে নেই, তাই শব্দ তৈরি হলেও তা বিস্তার লাভ করে না।
মহাকাশচারীরা কীভাবে কথা বলেন:
মহাকাশচারীরা একে অপরের সাথে এবং পৃথিবীতে কথা বলার জন্য রেডিও তরঙ্গ (radio waves) ব্যবহার করেন।
রেডিও তরঙ্গ তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ (electromagnetic waves) এবং শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও চলাচল করতে পারে, তাই তারা স্পেসস্যুটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।