পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .

দয়াকরে অপেক্ষা করুন।

"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।

সহায়িকা


সাধারন বিজ্ঞান
  • প্রশ্ন: রাঙীন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়? ১৬তম বিসিএস

    (ক) কসমিক রশ্মি (খ) গামা রশ্মি
    (গ) মৃদু রঞ্জন রশ্মি (ঘ) বিটা রশ্মি
    close

    উত্তর: মৃদু রঞ্জন রশ্মি

    • touch_app আরো ...

      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: Natural protein এর কোড নাম - ১৭তম বিসিএস

    (ক) Protien – P54 (খ) Protien – P49
    (গ) Protien – P51 (ঘ) protein – P53
    close

    উত্তর: Protien – P49

    • touch_app আরো ...

      Natural protein - এর কোড নাম - - P - 49।

      এক বা একাধিক পলিপেপটাইড সমন্বিত বৃহদাকার সক্রিয় রাসায়নিক পদার্থকে প্রোটিন বা আমিষ বলে। প্রোটিন এর প্রধান কাজ হল দেহের গঠন বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয় পূরণ করা।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: ‘আকোয়া রেজিয়া’ বলতে বোঝায়- ১৭তম বিসিএস

    (ক) কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ (খ) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লরিক এসিডের মিশ্রণ
    (গ) কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড (ঘ) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড
    close

    উত্তর: কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ

    • touch_app আরো ...

      অ্যাকোয়া রিজিয়া (Aqua Regia) বা অম্লরাজ হলো গাঢ় নাইট্রিক অ্যাসিড (\(HNO_{3}\)) ও গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (\(HCl\))-এর একটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী মিশ্রণ, যা সাধারণত ১ ভাগ নাইট্রিক অ্যাসিড ও ৩ ভাগ হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের মিশ্রণে তৈরি করা হয় এবং এটি সোনা, প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের মতো নিষ্ক্রিয় ধাতু গলানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যা অন্য কোনো অ্যাসিড পারে না, তাই একে 'অ্যাসিডের রাজা' বলা হয়।  মূল বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার: উপাদান: ঘন নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃) এবং ঘন হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) ১:৩ অনুপাতে মেশানো হয়।  রং: সদ্য প্রস্তুত করলে বর্ণহীন থাকলেও, এটি দ্রুত হলুদ, কমলা বা লালচে বর্ণ ধারণ করে এবং ধোঁয়া উৎপন্ন করে।  ক্ষমতা: এটি এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ অ্যাসিডে দ্রবণীয় নয় এমন মূল্যবান ধাতু যেমন সোনা ও প্ল্যাটিনামকে দ্রবীভূত করতে পারে।  ব্যবহার: পরীক্ষাগারে কাচপাত্র ও এনএমআর টিউব পরিষ্কার করা এবং সোনা বিশুদ্ধ করার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: বায়ুমণ্ডলে চাপের ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানি লিফট পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে উঠানো যায়- ১৭তম বিসিএস

    (ক) ৩০ মিটার (খ) ১৫ মিটার
    (গ) ১ মিটার (ঘ) ১০ মিটার
    close

    উত্তর: ১০ মিটার

    • touch_app আরো ...

      বায়ুমণ্ডলের চাপের কারণে লিফট পাম্পের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ পানি সর্বোচ্চ প্রায় ১০ মিটার (বা ৩৩ ফুট) গভীরতা থেকে তোলা যায়, কারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে প্রায় ১৪.৭ পাউন্ড চাপ প্রয়োগ করে, যা পানিকে এই উচ্চতায় তুলতে সক্ষম, তবে বাস্তব ক্ষেত্রে পাম্পের কার্যকারিতা ও ঘর্ষণজনিত কারণে এই উচ্চতা কিছুটা কম হতে পারে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: টুথপেস্টের প্রধান উপাদান কি? ১৭তম বিসিএস

    (ক) ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল (খ) ভোজ্য তেল ও সোডা
    (গ) জেলি ও মশলা (ঘ) সাবান ও পাউডার
    close

    উত্তর: সাবান ও পাউডার

    • touch_app আরো ...

      টুথপেস্টের প্রধান উপাদানগুলো হলো অ্যাব্রেসিভ (ঘষিয়া তুলিয়া ফেলিতে সক্ষম পদার্থ), যা দাঁত পরিষ্কার করে; ফ্লোরাইড, যা ক্ষয় প্রতিরোধ করে; এবং জল, গ্লিসারিন, ফ্লেভার ও ফোমিং এজেন্ট (যেমন সাবান)। মূলত, চক পাউডার বা সিলিকা অ্যাব্রেসিভ হিসেবে, সোডিয়াম ফ্লোরাইড ক্ষয় রোধে এবং অন্যান্য উপাদান স্বাদ ও টেক্সচার দিতে ব্যবহৃত হয়।
      টুথপেস্টের মূল উপাদানসমূহ:
      অ্যাব্রেসিভ (Abrasives): দাঁতের উপর থেকে ময়লা ও দাগ তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বনেট, সিলিকা, বা ট্রাই-ক্যালসিয়াম ফসফেট।
      ফ্লোরাইড (Fluoride): দাঁতকে অ্যাসিডের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলোর একটি, যেমন সোডিয়াম ফ্লোরাইড (NaF) বা স্ট্যানাস ফ্লোরাইড (SnF)।
      জল (Water): পেস্টের মূল ভিত্তি তৈরি করে।
      গ্লিসারিন (Glycerin): টুথপেস্টকে আর্দ্র ও মসৃণ রাখে এবং শুকিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়।
      ফ্লেভারিং এজেন্ট (Flavoring Agents): মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এবং সতেজ অনুভূতি দিতে ব্যবহৃত হয় (যেমন মিন্ট)।
      সাবান/ডিটারজেন্ট (Surfactants): টুথপেস্টকে ফেনা তৈরি করতে সাহায্য করে, যা ময়লা পরিষ্কার করতে সহায়ক (যেমন সোডিয়াম লরিল সালফেট)।
      থিকেনার ও বাইন্ডার (Thickeners & Binders): পেস্টের সঠিক ঘনত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে (যেমন গাম ট্রাগাকান্ত)


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: পানির ছোট ফোঁটা পানির যে গুনের জন্য গোলাকৃতি হয়- ১৭তম বিসিএস

    (ক) পৃষ্টটান (খ) প্লবতা
    (গ) স্থিতিস্থাপকতা (ঘ) আদ্রতা
    close

    উত্তর: পৃষ্টটান

    • touch_app আরো ...

      পানির ছোট ফোঁটা পৃষ্ঠটান (surface tension) নামক ধর্মের জন্য গোলাকৃতি হয়। এই ধর্মের কারণে তরল পদার্থের অণুগুলো একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত থাকে যে, তারা পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সর্বনিম্ন করতে চায়, এবং গোলকাকৃতির মাধ্যমে তা সম্ভব হয়।
      পৃষ্ঠটানের মূল কারণ
      অণুগুলির আকর্ষণ: পানির অণুগুলোর মধ্যে একটি আকর্ষণ বল (cohesion) থাকে, যা পৃষ্ঠটানের মূল কারণ।
      ন্যূনতম ক্ষেত্রফল: পৃষ্ঠটানের প্রভাবে, একটি ফোঁটা তার আয়তন ও ক্ষেত্রফলকে সর্বনিম্ন অবস্থায় রাখার চেষ্টা করে। এর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত আকার হলো গোলক।
      ছোট ফোঁটা: ছোট ফোঁটার ক্ষেত্রে পৃষ্ঠটান বল মাধ্যাকর্ষণ বলের চেয়ে বেশি প্রভাবশালী হয়, তাই ফোঁটাটি গোলাকার হয়। বড় ফোঁটা হলে, মাধ্যাকর্ষণ ও বায়ুর বাধার কারণে এটি ডিম্বাকার বা চ্যাপ্টা হয়ে যেতে পারে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: মুক্তা হলো ঝিনুকের- ১৭তম বিসিএস

    (ক) চোখের মণি (খ) জমাট হরমোন
    (গ) প্রদাহের ফল (ঘ) খোলসের টুকরা
    close

    উত্তর: প্রদাহের ফল

    • touch_app আরো ...

      সঠিক উত্তর হলো গ. প্রদাহের ফল, কারণ মুক্তা তৈরি হয় যখন কোনো বহিরাগত বস্তু ঝিনুকের নরম অংশে প্রবেশ করে, তখন ঝিনুক নিজেকে রক্ষা করতে সেই বস্তুর চারপাশে ন্যাক্র (nacre) নামক পদার্থ জমা করে, যা এক ধরনের প্রদাহের ফলস্বরূপ মুক্তা হিসেবে গঠিত হয়।
      বর্ণনা: ঝিনুকের খোলসের ভেতরে কোনো বালি বা পরজীবী ঢুকলে ঝিনুক সেই অস্বস্তিকর বস্তুকে ঘিরে এক প্রকার আঠালো পদার্থ (ন্যাক্র) জমা করতে শুরু করে, যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে মুক্তায় পরিণত হয়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'Existentialism' কী? ১৮তম বিসিএস

    (ক) একটি দার্শনিক মতবাদ (খ) প্রাণীবিদ্যার একটি তত্ত্ব
    (গ) ভূ-বিদ্যার একটি তত্ত্ব (ঘ) পদার্থবিদ্যার একটি তত্ত্ব
    close

    উত্তর: একটি দার্শনিক মতবাদ

    • touch_app আরো ...

      অস্তিত্ববাদ (Existentialism) হলো একটি দার্শনিক মতবাদ যা মানুষের ব্যক্তিগত অস্তিত্ব, স্বাধীনতা, এবং পছন্দের উপর জোর দেয়; এটি বলে যে মানুষ প্রথমে পৃথিবীতে আসে ("অস্তিত্ব"), তারপর সে নিজের পছন্দ ও কাজের মাধ্যমে নিজের অর্থ ও সারসত্তা তৈরি করে ("সারসত্তা অস্তিত্বের পরে আসে")। এই দর্শন মহাবিশ্বের অন্তর্নিহিত কোনো পূর্বনির্ধারিত অর্থ নেই ধরে নিয়ে মানুষের নিজস্ব জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা, দায়িত্ব নেওয়া, এবং নিজেদের মূল্যবোধ অনুযায়ী জীবন যাপন করার গুরুত্ব তুলে ধরে, যেখানে ব্যক্তিই তার নিজের জীবনের স্রষ্টা


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: ‘Adult Cell’ ক্লোন করে কোন দেশে একটি ভেড়ার জন্ম হয়েছে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ফ্রাঞ্ছে (খ) যুক্তরাষ্ট্রে
    (গ) যুক্তরাজ্যে (ঘ) অস্ট্রেলিয়া
    close

    উত্তর: যুক্তরাজ্যে

    • touch_app আরো ...

      প্রাপ্তবয়স্ক কোষ থেকে ক্লোন করা প্রথম ভেড়া, ডলি, স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করে। এটি ১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটে জন্মায়


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: ‘Adult Cell’ ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম হয়েছে তার নাম কি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) শেলি (খ) ডলি
    (গ) মলি (ঘ) নেলি
    close

    উত্তর: ডলি

    • touch_app আরো ...

      ‘Adult Cell’ ক্লোন করে জন্ম নেওয়া ভেড়াটির নাম হলো ডলি (Dolly), যা ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটে ক্লোনিং পদ্ধতির মাধ্যমে তৈরি করা প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী ছিল এবং এটি একটি প্রাপ্তবয়স্ক কোষ (স্তন্যপায়ী গ্রন্থি থেকে নেওয়া) থেকে ক্লোন করা হয়েছিল।
      গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
      নাম: ডলি।
      জন্ম: ৫ জুলাই, ১৯৯৬।
      পদ্ধতি: সোম্যাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্রান্সফার (SCNT)।
      গুরুত্ব: এটি প্রমাণ করে যে একটি বিশেষায়িত প্রাপ্তবয়স্ক কোষ থেকে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী তৈরি করা সম্ভব, যা জীববিজ্ঞানে একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ড (খ) ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড
    (গ) ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট (ঘ) ২০ মিনিট ৮ সেকেন্ড
    close

    উত্তর: ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ড

    • touch_app আরো ...

      বিস্তারিত:
      দূরত্ব: পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (বা ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল)।
      আলোর গতি: আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
      হিসাব: এই দূরত্ব এবং গতি অনুসারে, সূর্য থেকে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৫০০ সেকেন্ড, যা ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিটের সমান


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়? ১৮তম বিসিএস

    (ক) বাদুর (খ) তিমি
    (গ) কুমির (ঘ) হাতী
    close

    উত্তর: কুমির

    • touch_app আরো ...

      স্তন্যপায়ী প্রাণী নয় এমন প্রাণীর মধ্যে আছে হাঙ্গর, কুমির, এবং অন্যান্য সরীসৃপ, পাখি, মাছ ও উভচর প্রাণী। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য হলো এদের দেহে পশম বা চুল থাকে, এরা স্তন্যগ্রন্থি থেকে শাবকদের দুধ পান করায়, এবং এদের একটি চার প্রকোষ্ঠের হৃৎপিণ্ড ও জটিল মস্তিষ্ক থাকে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: এ শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু কোনটি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) হেল-বপ ধূমকেতু (খ) শুমেকার লেভী ধূমকেতু
    (গ) হ্যালীর ধূমকেতু (ঘ) কোনটিই নয়
    close

    উত্তর: হেল-বপ ধূমকেতু

    • touch_app আরো ...

      এই শতাব্দীর (২১ শতক) সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু কোনটি তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন, তবে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ও বহুল পরিচিত ধূমকেতু ছিল হেল-বপ ধূমকেতু (Hale-Bopp Comet), যা ১৯৯০-এর দশকে দেখা গিয়েছিল এবং ২১ শতকের প্রথম দিকেও এর প্রভাব ছিল, আর বর্তমানে (২০২৫-২৬) ধূমকেতু শ্যামাসে (Comet Tsuchinshan-ATLAS) ২০২৬ সালের শুরুতে উজ্জ্বল হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা একটি বড় আকর্ষণ হতে পারে


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: 'গ্যালিলিও' কী? ১৮তম বিসিএস

    (ক) বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ (খ) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
    (গ) শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ (ঘ) মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
    close

    উত্তর: পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ

    • touch_app আরো ...

      গ্যালিলিও হলো সার্বিক দিকনির্নয় সম্পর্কিত একটি কৃত্রিম উপগ্রহ পদ্ধতি যা বাস্তবায়ন হয় ২০১৬ সালে । এটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিলো। এর নাম করণ বিখ্যাত বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলাইর নাম করণে করা হয়েছে।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।

  • প্রশ্ন: বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর জন্য কোন বৈজ্ঞানিকের অবদান সবচেয়ে বেশি? ১৮তম বিসিএস

    (ক) ভোল্টা (খ) বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
    (গ) টমাস এডিসন (ঘ) আইজ্যাক নিউটন
    close

    উত্তর: টমাস এডিসন

    • touch_app আরো ...

      বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে সহজলভ্য ও ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ক্ষেত্রে টমাস আলভা এডিসনের (Thomas Alva Edison) অবদান সবচেয়ে বেশি, বিশেষ করে তাঁর বাণিজ্যিক বৈদ্যুতিক বাতি (আলোকসজ্জা), বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অন্যান্য ব্যবহারিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রের উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি এই কাজটি সম্ভব করে তুলেছিলেন, যদিও বৈদ্যুতিক বাতির প্রাথমিক ধারণা অন্যান্য বিজ্ঞানীরও ছিল।
      এডিসনের প্রধান অবদান:
      বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর বৈদ্যুতিক বাতি (Incandescent Light Bulb): ১৮৭৯ সালে তিনি একটি দীর্ঘস্থায়ী কার্বন ফিলামেন্টের বৈদ্যুতিক বাতি তৈরি করেন, যা সাধারণ মানুষের বাড়িতে ব্যবহার করা সম্ভব ছিল, যা ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান।
      বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা: তিনি প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র (পাওয়ার প্ল্যান্ট) স্থাপন করেন এবং ডিসি (DC) বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলেন, যা শহরগুলোকে আলোকিত করতে সাহায্য করে।
      অন্যান্য উদ্ভাবন: গ্রামোফোন, ভিডিও ক্যামেরা, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি, এবং ধারণযোগ্য সংগীত ও ছবির যন্ত্র আবিষ্কারের মাধ্যমে তিনি বিদ্যুতের ব্যবহারকে আরও বিস্তৃত করেন।


      প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।