পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: নজরুল ইসলামের সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি? ২৮তম বিসিএস
| (ক) ধূমকেতু | (খ) সত্তগাত |
| (গ) মাহে নত্ত | (ঘ) কালিকলম |
উত্তর: ধূমকেতু
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা 'ধূমকেতু' - ১৯২২ (অর্ধ - সাপ্তাহিক)। তাঁর সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকাগুলো হলোঃ লাঙল, দৈনিক নবযুগ। তিনি 'ধূমকেতু' পত্রিকায় দেশের মুক্তির দিশারি হিসেবে 'অনুশীলন' ও 'যুগান্তর' দলের সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনকে উৎসাহ প্রদান ও ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা দাবি করে তৎকর্তৃক বহু অগ্নিঝরা সম্পাদকীয়, কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। ১৯২৩ সালে ব্রিটিশ সরকার এ পত্রিকা নিষিদ্ধ করেন। 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর; মোসলেম ভারত' পত্রিকার সম্পাদক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক এবং 'সবুজ পত্র ' পরিবার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: জীবনান্দ দাশের প্রবন্ধ গ্রন্থ কোনটি? ২৮তম বিসিএস
| (ক) কবিতার কথা | (খ) ধূসর পান্ডলিপি |
| (গ) ঝরা পালকের ক | (ঘ) জ |
উত্তর: কবিতার কথা
তিমির হননের কবি জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯ - ১৯৫৪) - এর প্রবন্ধগ্রন্থ 'কবিতার কথা' (১৯৫৪)। তার রচিত কাব্যগ্রন্থ: 'ঝরাপালক' (১৯২৭), 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬), 'বনলতা সেন ' (১৯৪২) , সাতটি তারার তিমির ' (১৯৪৮) , 'রুপালী বাংলা' (১৯৫৭)। উপন্যাস : 'মাল্যবান' (১৯৭৩) , 'সতীর্থ (১৯৭৪) । 'দুর্দিনের যাত্রী' (১৯২২) এবং 'যুগবাণী' (১৯২৬) কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে? ২৮তম বিসিএস
| (ক) কাজী নজরুল ইসলাম | (খ) আব্দুল কাদির |
| (গ) ফররুখ আহমেদ | (ঘ) বন্দে আলি মিয়া |
উত্তর: ফররুখ আহমেদ
সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন বিখ্যাত কবি ফররুখ আহমদ। এটি তাঁর প্রথম এবং বহুল প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে 'পাঞ্জেরী', 'সিন্দাবাদ', 'ডাহুক' এর মতো বিখ্যাত কবিতাগুলো অন্তর্ভুক্ত আছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস কোনটি? ২৮তম বিসিএস
| (ক) অনেক সুর্যের আশা | (খ) অগ্নীসাক্ষী |
| (গ) আরেফ ফাল্গুন | (ঘ) চিলেকোঠার সেপাই |
উত্তর: আরেফ ফাল্গুন
কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান (১৯৩৫ - ১৯৭২) ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ভাষা আন্দোলনের ওপর তার রচিত উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮)’ এবং আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই (১৯৭৮)’ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি? ২৮তম বিসিএস
| (ক) শঙ্খনীল কারাগার | (খ) জাহান্নাম হতে বিদায় |
| (গ) কাটাতারে প্রজাপতি | (ঘ) আর্তনাদ |
উত্তর: জাহান্নাম হতে বিদায়
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস জাহান্নাম হইতে বিদায় ।
শেখ আজিজুর রহমান (২ জানুয়ারি ১৯১৭–মে ১৪, ১৯৯৮), যিনি শওকত ওসমান কলমি নামে অধিক পরিচিত, বাংলাদেশের একজন চিন্তক, লেখক ও কথাসাহিত্যিক। তিনি একাধারে নাটক, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা, রাজনৈতিক লেখা, শিশু - কিশোর সাহিত্য রচনা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে তিনি ছিলেন এক উচ্চকিত কণ্ঠের অধিকারী। ক্রীতদাসের হাসি তার বিখ্যাত উপন্যাস। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), পাকিস্তান সরকারের প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক (১৯৮৩), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭) - এ ভূষিত হন।
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' । শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস 'আর্তনাদ' ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: শত্তকত ত্তসমান কোন উপন্যাসের জন্য আদমজি পুরস্কার লাভ করেন? ২৮তম বিসিএস
| (ক) বনি আদম | (খ) ক্রিতদাসের হাসি |
| (গ) চৌরসন্ধি | (ঘ) জননী |
উত্তর: ক্রিতদাসের হাসি
কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান 'ক্রীতদাসের হাসি' (১৯৬২) উপন্যাসের জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন। এ উপন্যাসটিতে প্রতীকশ্রয়ে তৎকালীন পাকিস্তানিদের বিরুপ শাসনের সমালোচনা করা হয় । এ উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ করা হয়' A slave Laughs' (১৯৭৬) । 'বনী আদম' (১৯৬৪) শওকত ওসমানের প্রথম উপন্যাস। ' এছাড়া 'জননী' (১৯৬১) , 'চৌরসন্ধি' (১৯৬৮) প্রভৃতি তার প্রখ্যাত উপন্যাস।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: 'উপরোধ' শব্দের অর্থ কি? ২৮তম বিসিএস
| (ক) উপযোগি | (খ) অনুরোধ |
| (গ) উপস্থাপন | (ঘ) প্রতিরোধ |
উত্তর: অনুরোধ
'উপরোধ' শব্দের অর্থ হলো বিশেষ অনুরোধ, সনির্বন্ধ মিনতি, সুপারিশ বা খাতির, অর্থাৎ কোনো কাজ করার জন্য কাউকে অত্যন্ত বিনীতভাবে বা মিনতির সঙ্গে বলা, যা প্রায়শই অনুরোধ এড়াতে না পেরে অনিচ্ছা সত্ত্বেও করা হয়। এটি সাধারণত 'উপরোধে ঢেঁকি গেলা' বাগধারাটিতে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ অনুরোধ এড়াতে না পেরে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কোনো কাজ করা
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: আবদুল্লাহ উপন্যসের রচয়িতা কে? ২৯তম বিসিএস
| (ক) কাজী ইমদাদুল হক | (খ) শেখ ফজলুল করিম |
| (গ) মোহাম্মদ মজিবর রহমান | (ঘ) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ |
উত্তর: কাজী ইমদাদুল হক
মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের নানা দোষত্রুটি কাজী ইমদাদুল হক তার 'আবদুল্লাহ' (১৯৩৩) উপন্যাসে দক্ষতার সাথে তুলে ধরেন। তবে তিনি উপন্যাসটির ৩০ টি পরিচ্ছেদ সমাপ্ত করেছিলেন । বাকি ১১ টি পরিচ্ছেদ তার মৃত্যুর পর শিক্ষাবিদ আনোয়ারুল কাদির তার খসড়া অনুসরণ করে রচনা করেন।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যসের নাম— ২৯তম বিসিএস
| (ক) দুর্গেশনন্দিনী | (খ) কপালকন্ডুলা |
| (গ) কৃঞ্চকান্তের উইল | (ঘ) রজনীক |
উত্তর: দুর্গেশনন্দিনী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) তার রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস।
আনন্দ মঠ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলা বর্নমালায় স্বরবর্ন কয়টি? ২৯তম বিসিএস
| (ক) ১১ টি | (খ) ১২ টি |
| (গ) ১০ টি | (ঘ) ১৩ টি |
উত্তর: ১১ টি
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে, যা হলো: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। এগুলোকে পূর্ণরূপ ও সংক্ষিপ্ত রূপ (কার চিহ্ন) উভয়ভাবেই লেখা হয়, যেখানে 'অ' ছাড়া বাকি ১০টি স্বরবর্ণের কার চিহ্ন রয়েছে
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যর আদি কবি কে? ২৯তম বিসিএস
| (ক) লুইপা | (খ) চেগুনপা |
| (গ) ভূসুকুপা | (ঘ) কাহপা |
উত্তর: লুইপা
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন চর্যাপদ । চর্যাপদে ২৩, মতান্তরে ২৪ জন কবি ছিলেন। চর্যাপদের পদসংখ্যা হলো ৫১ টি । ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১ নং পদের পদকর্তা হিসেবে লুইপার নাম পান। তাই, তার মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি লুইপা। কিন্তু ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি হলো শবরপা।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: 'তৎসম' শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশী? ২৯তম বিসিএস
| (ক) চলিত রীতি | (খ) আঞ্চলিক রীতি |
| (গ) মিশ্র রীতি | (ঘ) সাধু রীতি |
উত্তর: সাধু রীতি
চলিত রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ । সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। বাংলা ভাষায় মিশ্র রীতির ব্যবহার নেই। মৌখিক রীতির দুটি ভাগের একটি হলো আঞ্চলিক রীতি। বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক রীতির বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরন রচনা করেন কে? ২৯তম বিসিএস
| (ক) ব্রাসি হেলহেড | (খ) অক্ষয় দত্ত |
| (গ) মার্স ম্যান | (ঘ) রাজা রামমোহন |
উত্তর: রাজা রামমোহন
১৮২৬ সালে রাজা রামমোহন রায় ইংরেজিতে বাংলা ব্যাকরণ লেখেন। এরপর তিনি স্কুল বুক সোসাইটির জন্য ঐ গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে নাম দেন 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ ' যা প্রকাশ হয় ১৮৩৩ সালে। আর এ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ফররুখ আহমেদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম কি? ২৯তম বিসিএস
| (ক) পাখির বাসা | (খ) হাতেমতাই |
| (গ) সাত সাগরের মাঝি | (ঘ) নৌফেল ত্ত হাতেম |
উত্তর: সাত সাগরের মাঝি
মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমেদ। তিনি ছিলেন ইসলামী আদর্শের উজ্জ্বল প্রতীক। ‘সাতসাগরের মাঝি’ (১৯৪৪০ তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। তার রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ ‘পাখির বাসা’ (১৯৬৫) – এর জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরষ্কার লা করেন। ‘হাতেমতায়ী’ তার রচিত কাহিনী কাব্য। ১৯৬৬ সালে ‘হাতেমতায়ী’ গ্রন্থের জন্য তিনি আদমজী পুরষ্কার লাভ করেন। আর ‘নৌফেল ও হাতেম'(১৯৬১) তার কাব্যনাট্যের নাম।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: প্রাচিনতম বাঙ্গালি মুসলমান কে? ২৯তম বিসিএস
| (ক) মুহম্মদ খান | (খ) সৈয়দ সুলতান |
| (গ) শাহ মুহম্মদ সগীর | (ঘ) আলাত্তল |
উত্তর: শাহ মুহম্মদ সগীর
শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি। বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে (১৩৮৯ - ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দে) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী। কাব্যরস পরিবেশন অপেক্ষা ধর্মীয় প্রেরণা সৃষ্টির প্রতিই কবির অধিক আগ্রহ লক্ষ করা যায়। সে যুগে দেশি ভাষার রসাশ্রয়ী ধর্মকাহিনী রচনা করার মধ্যে কবির সৎসাহসের পরিচয় মেলে। বাইবেল - কুরআন কিংবা ফিরদৌসী - জামীর অনুসরণে কাহিনী - কাব্যটি কল্পিত হলেও তাতে বাঙলাদেশ ও বাঙালি - জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। কাব্যটি পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দশকে রচনা করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। তার কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন। তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তার কাব্যে ধর্মীয় পটভুমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান। তার কাব্যে শিল্পমূল্য অতুলনীয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।