পৃষ্ঠাটি লোড হচ্ছে . . .
দয়াকরে অপেক্ষা করুন।
"লোডিং সময়" আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন: শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) লীলা রস | (খ) প্রেমরস |
| (গ) মধুর রস | (ঘ) ভাবরস |
উত্তর: মধুর রস
কাব্যসাহিত্য শৃঙ্গার, হাস্য , করুণ ,বীর, অদ্ভুত , ভয়ানক, বীভৎস শান্ত, বাৎসল্য - রসের সন্ধান পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাব থেকে রসের উৎপত্তি । বৈষ্ণব সাহিত্য ও সাধনার পাঁচ পন্থা - শান্ত, দাস্য , সখ্য, বাৎসল্য, মধুর রস। বৈষ্ণব পদাবলির মধুর রসের মধ্যে রাধাকৃষ্ণর রপকাশ্রয়ে ভক্ত ও ভাগবানের নিত্য বিরহমিলনের লীলাবৈিচত্র্যের পরিচয় পাওয়া যায়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) চর্যাগীতিকোষ | (খ) হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা |
| (গ) চর্যাগীতিকা | (ঘ) Buddhist Mystic Songs |
উত্তর: Buddhist Mystic Songs
ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫ - ১৯৬৯) সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ - 'Buddhist Mystic Songs' (১৯৬০) । তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুবাদ গ্রন্থ: দীওয়ান হাফিজ, অমিয়শতক, রুবাইয়াত - ই - ওমর খ্যায়াম , বিদ্যাপতি শতক, মহররম শরীফ, Hundred Sayings of the Holy Prophet । তার ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: ভাষা ও সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ এবং বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। তার সম্পাদনায় রচিত হয় - বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী | (খ) চন্দ্রকুমার দে |
| (গ) দক্ষিণারঞ্জণ মিত্র মজুমদার | (ঘ) দীনেশচন্দ্র সেন |
উত্তর: চন্দ্রকুমার দে
বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা প্রচলিত রয়েছে। যথা : নাথ গীতিকা , মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা। 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তার সংগৃহীত পূর্ববঙ্গ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালা : মইষাল বন্ধু, ভেলুয়া, কমলারানী , দেওয়ান ঈসা খাঁ, আয়না বিবি, শিলাদেবী বণ্ডুলার বারমাসী, ভারাইয়া রাজা। এসব পালা দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা ' নামে ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় । অন্যদিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অমরকীর্তি হলো বাংলাভাষার প্রথম'চর্যাপদ' উদ্ধার। শিশুসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য গ্রন্থ: ঠাকুরমার ঝুলি, ঠাকুর দাদার ঝুলি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ –এর অর্থ কী? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয় | (খ) কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয় |
| (গ) কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয় | (ঘ) কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয় |
উত্তর: কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী চর্যা শব্দের অর্থ - নিয়ম পালন; পালনীয় নিয়ম আচার। চর্যাচর্য অর্থ - আচরণীয় ও অনাচরণীয় ; পালনীয় ও বর্জনীয়। চর্যাচর্যবিনিশ্চয় অর্থ - কী করা উচিত এবং কী করা অনুচিত এটি যে গ্রন্থে বা যে সমস্ত গীতিকবিতায় স্থিরীকৃত হয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের প্রচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মূল নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনী অবলম্বনে লেখা? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) কোনটি নয় | (খ) নাথধর্ম |
| (গ) শৈবধর্ম | (ঘ) বৌদ্ধ সহজযান |
উত্তর: নাথধর্ম
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথধর্মের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শেখ ফয়জুল্লার একটি উল্লেখ্যযোগ্য কাব্যগ্রন্থ 'গোরক্ষ বিজয়' । এ কাব্যের কাহিনিতে নাথবিশ্বাস - জাত যোগের মহিমা এবং নারী - ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্র রুপায়িত হয়েছে। শেখ ফয়জুল্লার আরো কয়েকটি গ্রন্থ : গাজীবিজয়; সত্যপীর, রাগনামা , জয়নালের চৌতিশা। উল্লেখ্য , বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে শৈবধর্ম মিশে নাথধর্মের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত- ৩৭তম বিসিএস
| (ক) রামনিধি গুপ্ত | (খ) এ্যান্টনি ফিরিঙ্গি |
| (গ) দাশরথি রায় | (ঘ) রামপ্রসাদ সেন |
উত্তর: রামপ্রসাদ সেন
রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্যে শাক্তপদের প্রবর্তক। তার নামে প্রচারিত পদের সংখ্যা তিন শতাধিক । তার পদগুলো - শাক্ত পদাবলি, শ্যামা সঙ্গীত ও রামপ্রসাদী নামে পরিচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) রফিক আজাদ | (খ) আসাদ চৌধুরী |
| (গ) হেলাল হাফিজ | (ঘ) হুমায়ুন আজাদ |
উত্তর: হুমায়ুন আজাদ
কবি ও প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের (১৯৪৭ - ২০০৪) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অলৌকিক ইস্টিমার' (১৯৭৩) । এ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা : স্নানের জন্যে জল দাও বাতাস, আত্মহত্যার অস্ত্রাবলি, জ্যোৎস্নার অত্যাচার। তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ : জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু। অন্যদিকে হেলাল হাফিজের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: যে জলে আগুন জ্বলে । আসাদ চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: তবক দেওয়া পান, বিত্ত নাই বেসাত নাই, জলের মধ্যে লেখাজোখা , নদী বিবস্ত্র হয় । রফিক আজাদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: অসম্ভবের পায়ে, এক জীবনে , প্রেমের কবিতা, প্রিয় শাড়িগুলি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: “Custom” শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) আইন | (খ) শুল্ক |
| (গ) প্রথা | (ঘ) রাজস্বনীতি |
উত্তর: প্রথা
বাংলা ভাষার প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। 'Custom' শব্দের যথার্থ পারিভাষিক অর্থ - প্রথা; অভ্যাস; সামাজিক রীতিনীত। অন্যদিকে , Act বা Law - এর পরিভাষা আইন; Duty - এর পরিভাষা শুল্ক; Revenue policy - এর পরিভাষা রাজস্বনীতি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’কে স্মরণ করেছেন কেন? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে | (খ) ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে |
| (গ) ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে | (ঘ) প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে |
উত্তর: প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'মানুষ' কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যারা পবিত্র উপাসনালয়ের দরজা বন্ধ করে , তাদের ধ্বংসের জন্য কালাপাহাড়কে স্বরণ করেছেন। তাইতো কাজী নজরুল লিখেছেন, মোল্লা পুরুত লাগয়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!' কোথা চেঙ্গিস' গজনি মামুদ, কোথায় কালাপাহাড় ? ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা - দেওয়া দ্বার! 'কালাপাহাড়' ছিলেন বাংলা ও বিহারের সন্তান ছিলেন এবং নিয়মিত বিষ্ণু পূজা করতেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। ১৫৬৮ সালে পুরীর জগন্নাত দেবের মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও বিগ্রহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। আর তখন থেকেই তিনি 'কালাপাহাড়' নামে পরিচিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: “প্রদীপ নিবিয়া গেল”! – এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুন্ডলা’ | (খ) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’ |
| (গ) রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’ | (ঘ) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’ |
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুন্ডলা’
'প্রদীপ নিবিয়া গেল।' ___ উক্তিটি বঙ্গিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচতি কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) উপন্যাসের। এটি কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের দ্বিতীয় খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ' পান্থনিবাসে' - এর শেষ বাক্য ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: “মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।” – কার উক্তি? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের | (খ) ইসমাইল হোসেন সিরাজীর |
| (গ) মীর মশাররফ হোসেনের | (ঘ) কাজী নজরুল ইসলামের |
উত্তর: মীর মশাররফ হোসেনের
ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি - 'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।' মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি 'শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।' মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি - 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: বর্গের কোন বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ | (খ) তৃতীয় বর্ণ |
| (গ) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ | (ঘ) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ |
উত্তর: দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
যে ধ্বনি উচ্চারণে নিঃশ্বাস জোরে সংযোজিত হয় তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি । বর্গের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ বর্ণ বা ধ্বনিকে বলা হয় মাহপ্রাণ ধ্বনি। যেমন - খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ ইত্যাদি। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি এবং পঞ্চম বর্ণ হলো নাসিক্য ধ্বনি।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: ‘কদাকার’ শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) দেশি উপসর্গযোগে | (খ) বিদেশি উপসর্গযোগে |
| (গ) সংস্কৃত উপসর্গযোগে | (ঘ) কোনটি নয় |
উত্তর: দেশি উপসর্গযোগে
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে বলা হয় খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১ টি । যথা : অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন ,আব, ইতি, উন (ঊনা) , কদ, কু,নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু,হা। 'কদাকার' শব্দটি দেশি 'কদ' উপসর্গযোগে গঠিত।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: যুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) অক্ষরবৃত্ত | (খ) স্বরবৃত্ত |
| (গ) মুক্তক | (ঘ) মাত্রবৃত্ত |
উত্তর: স্বরবৃত্ত
প্রশ্নে 'যুক্তাক্ষর' - এর স্থলে হবে 'মুক্তাক্ষর' । কবিতার নির্দিষ্ট একটি সুর বা গতি দেয়ার জন্য ছন্দব্যাকরণ তৈরি হয়েছে। ছন্দ পর্ব ও মাত্রানির্ভর, তাই ছন্দের নামকরণ করা হয়েছে। তিনভাগে - অক্ষরবৃত্ত , মাত্রাবৃত্ত, ও স্বরবৃত্ত। অক্ষরবৃত্ত ধীরগিতর - তাই এর মাত্রা হবে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা , বদ্ধাক্ষর একক ভাবে দুই যাত্রা , শেষে দুই মাত্রা আর প্রথম ও বদ্ধক্ষর দুই মাত্রার হয়। আর স্বরবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর সব সময় এক মাত্রা গণনা করা হয়।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।
প্রশ্ন: নিচের কোনটি অশুদ্ধ? ৩৭তম বিসিএস
| (ক) দোষী-নির্দোষী | (খ) প্রসন্ন-বিষন্ন |
| (গ) নিষ্পাপ-পাপিনী | (ঘ) অহিংস-সহিংস |
উত্তর: দোষী-নির্দোষী
'দোষী - নির্দোষী' এটি অশুদ্ধ। শুদ্ধরুপ হবে দোষী - নির্দোষ ।
প্রশ্ন লিস্ট করে পড়তে লগইন করুন।